গণস্বাস্থ্যের কিটের প্রকল্পের কোঅর্ডিনেটর ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দকার বলেন, গণস্বাস্থ্যের অ্যান্টিবডি কিটের কাজ করোনাভাইরাস শনাক্ত করা নয়।
তিনি বলেন, ‘তারা (বিএসএমএমইউ) বলছে গণস্বাস্থ্যের কিট রোগ শনাক্তে কার্যকর নয়, করোনা শনাক্তে কিট কার্যকর নয়। আমাদের অ্যান্টিবডি কিটের কাজ করোনা শনাক্ত করা নয়। এটা হচ্ছে অ্যান্টিবডি কিট, এই কিটের কাজ কী সেটা পৃথিবীর যেকোনও বইয়ে লেখা আছে।’
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. মুহিব উল্লাহ বলেন, অ্যান্টিবডি কিটের কাজ হলো করোনার অ্যান্টিবডি শনাক্তকরণ, করোনা জীবানু বা তার অংশ শনাক্তকরণ ( অ্যান্টিজেন ) নয়। করোনার অ্যান্টিবডি সাধারণত সংক্রমণের ৭ থেকে ১০ দিন পর রক্তে দেখা যায়। এটা রক্তে পাওয়া যাওয়ার অর্থই হলো পূর্বে ওই ব্যক্তির করোনা সংক্রমণ হয়েছিল, উপসর্গসহ বা ছাড়া।
তিনি আরও বলেন, ‘তারা যে মন্তব্যগুলো করেছেন সেগুলো আমরা দেখি তার পরেই বিস্তারিত জানাতে পারবো। এখনও বিএসএমএমইউ থেকে কোনও রিপোর্ট পাইনি। তাদের রিপোর্ট পেলে আমরা মতামত জানাবো।
এ বিষয়ে ডা. মুহিব উল্লাহ বলেন, ‘অ্যান্টিজেন কিট দিয়ে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়। এটার নমুনা সংগ্রহের ত্রুটি ধরা পড়ায় টেস্ট বন্ধ রাখতে বলেছি। নতুন করে একটা ডিভাইস দিয়ে দেবো তাদেরকে বলেছি। সেটা এখনও আমরা জমা দেইনি। অ্যান্টিবডি কিটের রিপোর্ট দেখবো। তারপর অ্যান্টিজেন কিটের নমুনা সংগ্রহের ডিভাইস জমা দেবো বিএসএমএমইউতে।

