গতবারের দুই ফাইনালিস্টের চেয়েও অভিজ্ঞ বাংলাদেশ



এবারের বিশ্বকাপে অভিজ্ঞতার দিক দিয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। তাও গতবারের ফাইনালিস্টদের চেয়েও।

বাংলাদেশের হয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন ছয় জন। একজনের আবার অভিষেকও হয়নি। বাকি ১৪ জনের মোট ওয়ানডে ১২৯৯। যেখানে অস্ট্রেলিয়া দলের মোট ম্যাচের সংখ্যা ৮১৪। এবং নিউজিল্যান্ডের ১১৫৭ টি ম্যাচ, যেখানে অভিষেকের অপেক্ষায় আছে একজন।

বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত চারটি দল ঘোষণা হয়েছে। বয়স আর ম্যাচ খেলার সংখ্যায় ভারতের দলটাই এর মধ্যে সবচেয়ে অভিজ্ঞ। ভারত দলটির মোট ওয়ানডে সংখ্যা ১৫৭৩।

শতাধিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে ছয়জনের। এই ছয়ের মোট ম্যাচ ১১৫৮। দুই শতাধিক ম্যাচ খেলেছেন তিনজন, এর মধ্যে ধোনির আছে ৩৪১ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা।

বাংলাদেশ দলে ৮ জন ক্রিকেটার আছেন যারা ৫০-এর কম ওয়ানডে খেলেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের পঞ্চপাণ্ডবই অস্ট্রেলিয়ার পুরো স্কোয়াডের চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন। মাশরাফি, সাকিব, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ ও তামিমের মোট ম্যাচ ৯৬১টি।

ম্যাচ সংখ্যায় অভিজ্ঞতায় অবশ্য অস্ট্রেলিয়া অনেক পিছিয়ে। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ক্রিকেটারটিও খেলেছেন মাত্র ১০৯ ওয়ানডে। ১০০ কিংবা এর বেশি ম্যাচ খেলেছেন মাত্র ৪ জন। ৫০-এর কম ওয়ানডে খেলা ক্রিকেটার আছেন ৯ জন।

বাংলাদেশের দলে ২৫বা এর চেয়ে কম বয়সী ৬ জন ক্রিকেটার আছেন বাংলাদেশ দলে। আবার ২৯ কিংবা এর বেশি বয়সী ক্রিকেটারের সংখ্যাও কিন্তু ৭ জন

অস্ট্রেলিয়া দলে ১১ জন ক্রিকেটার আছেন, যাদের বয়স ২৯-এর বেশি। অস্ট্রেলিয়া দলের খেলোয়াড়দের বয়সের দিকে তাকালে ভারসাম্যটা চোখে পড়ে।

বয়সের চেয়ে অভিজ্ঞতাকে বেশি মূল্য দিয়েছে ভারত-নিউজিল্যান্ড। ভারতের ৮ জন খেলোয়াড়ের বয়স ২৯ বছরের বেশি। এর মধ্যে সাতজনেরই বয়স ৩০-এর বেশি। নিউজিল্যান্ড দলে সবচেয়ে কম বয়সী ক্রিকেটারটিরও বয়স ২৬ বছর।

সব মিলিয়ে এবারের বাংলাদেশ দলটি বেশ অভিজ্ঞ। অভিজ্ঞতাগুলো যদি কাজে লাগে, কে জানে? হয়ত।স্বপ্নের বিশ্বকাপ হয়েই ধরা দিতে পারে ২০১৯ ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ।

এক নজরে বিশ্বকাপ সদস্যদের সংক্ষিপ্ত প্রোফাইল

বিশ্বকাপে যাচ্ছে তাসকিনের কান্নাও!

তাসকিন নয়, বিশ্বকাপ দলে রাহী