আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম করোনাকে ‘চাইনিজ ভাইরাস’ বলে উল্লেখ করেন। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আন্তর্জাতিক মহলে অভিযোগ করে চীন বলে, এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে যে দেশে সেই চীনকে দোষী করা নিরর্থক।
গোটা বিশ্বের একটা বড় অংশের কাছেই আশঙ্কা দেখা দেয়, করোনাভাইরাস কি আদৌ পশুর দেহ থেকে ছড়িয়ে পড়া কোনও ভাইরাস নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে চীনের সেই উহানের কোন ল্যাবরেটরিতে তৈরি?
গোটা ইউরোপে যখন মৃত্যু মিছিল চলছে, তখন হঠাৎই এবার ব্রিটেন সেই চীনা ল্যাবে করোনা তৈরির তত্ত্ব নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নিজে করোনা আক্রান্ত হয়ে হয়েছেন। তার নেতৃত্বাধীন কমিটি ‘কোবরা’ চীনের গবেষণাগার থেকে জীবাণু ছড়ানোর তত্ত্ব প্রকাশ করেছে।
যদি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ব্রিটেনের চীনা রাষ্ট্রদূত জেং রংয়ের দাবি, ‘চীন এমন যদি করে থাকত, তাহলে দেশের এত মানুষের মৃত্যু হত না।’
অনেক বিশেষজ্ঞই অবশ্য এই ভাইরাসের পিছনে চীনের উহানের পশু মার্কেটের দিকেই আঙুল তুলেছেন। তবে বিজ্ঞানীরা যাই বলুন, উহান প্রদেশের গবেষণাগারে জীবাণু তৈরির তথ্য উড়িয়ে দিচ্ছে না ব্রিটেনের বিশেষ কমিটি।
তারা বছর দুয়েক আগের চীনের সংবাদপত্র পিপলস ডেলি চায়নার একটি প্রতিবেদন তুলে ধরে বলেন, ‘চীনের ভাইরোলজি ইন্সটিটিউট ইবোলার চেয়ে ভয়ংকর এক জীবাণু নিয়ে গবেষণা করছে।
৩০ মিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়েছিল এর জন্য। বণ্যপ্রাণী বাজার থেকে মাত্র দশ মাইল দূরে তৈরি করা হয়েছিল।’
পেপার’স লাইফ/নিউজ/আন্তর্জাতিক ডেস্ক

