গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং জাতীয় পার্টি (জাপা) ও ১৪ দলীয় জোটের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫) শাহবাগে সংহতি সমাবেশে ৪০টির বেশি রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিয়েছে। সমাবেশে হামলাকারীদের বিচার, জাপা ও ১৪ দল নিষিদ্ধকরণ এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের তিন দফা দাবি উত্থাপিত হয়।
বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, জেএসডি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, এবি পার্টি, খেলাফত মজলিসসহ ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিভিন্ন দল এই সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে। নেতারা বলেন, “আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে, আর তাদের সহযোগী জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলীয় জোট শেখ হাসিনার স্বৈরাচারকে টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছে। জাতীয় পার্টি এখন ফ্যাসিবাদ ফিরিয়ে আনতে ও দেশকে অস্থির করতে ষড়যন্ত্র করছে। অবিলম্বে তাদের নিষিদ্ধ করতে হবে।”
সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা তিন দফা দাবি আদায়ে শপথ নেন। এদিকে, একই দিন সন্ধ্যায় কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আবারও হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এটি আট দিনের মধ্যে দ্বিতীয় হামলা। ঈদে মিলাদুন্নবীর প্রস্তুতি সভার সময় একদল ব্যক্তি মিছিল নিয়ে কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। হামলার সময় নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, কাকরাইল এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

