জামিনে মুক্তি পেয়ে নিজের ইচ্ছার কথা জানালেন হিরো আলম


paperslife

সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত ও সমালোচিত চরিত্র হিরো আলম। যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধর করার জন্য হিরো আলমকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

বগুড়া দায়রা জজ আদালতের বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন। স্ত্রী সংসার করবেন বলে রাজি হওয়ার ভিত্তিতে তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। এ সময় আদালতে হিরো আলম ও তার স্ত্রী দুজনেই উপস্থিত ছিলেন।

জামিনে বের হয়েই হিরো আলম তাঁর ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। উপনির্বাচনে তিনি প্রার্থী হতে চান। তিনি জানান, ‘সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বগুড়া -৪ আসন (কাহালু -নন্দীগ্রাম) থেকে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’

তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়েছিলেন, উপনির্বাচনে? হিরো আলম জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই লড়বেন তিনি।

স্বতন্ত্র থেকে লড়বেন কারণ হিসেবে তিনি জানান, ‘বিএনপি তো সংসদে এমপি হিসেবে শপথ নেবে না। তাছাড়া উপনির্বাচনেও তাদের দেখা যাচ্ছে না। তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া ছাড়া কোনো উপায় দেখছেন না তিনি।’

স্ত্রীকে মারধরের দায়ে এক মাসের বেশি কারাভোগ করা প্রার্থীর জনপ্রিয়তার ওপর নির্বাচনে প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক মারপ্যাচের শিকার। স্ত্রীকে দুটো চড় মারাতেই এক মাস আটদিন জেল হাজতে থাকতে হয়েছে আমাকে। এ দেশে এমন ঘটনা বিরল। এমন ঝগড়া তো প্রতি পরিবারেই ঘটে।’

রাজনৈতিক যড়যন্ত্রের শিকার হয়েই তিনি কারাভোগ করেছেন। তাকে নিয়ে কেন এমন রাজনৈতিক যড়যন্ত্র চলবে প্রশ্নে তিনি জানান, ‘আমি বগুড়া -৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছিলাম। এটিকে কেন্দ্র করে রাজনীতি।’

এই ৪৩ দিন জেল হাজতে কেমন ছিলেন হিরো আলম জানতে চাইলে বলেন, ‘আমাকে দাগি আসামিদের সেলে রাখা হয়েছিল। তবে কারারক্ষীরা সবাই ভালো ব্যবহার করেছে। খাবার দাবারের খেয়াল রেখেছে। তবে সন্ধ্যার পর একাকীত্ব কাটাতে ২টি গান লিখেছেন বলে জানান তিনি।’

কারাগার থেকে বেড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জনপ্রিয় হিরো আলমের নতুন এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে হয়ত দেখা যাবে নতুন হিরো আলমকে!