পাকিস্তানে দলীয় বৈঠকে বোমা হামলায় প্রার্থীসহ নিহত ১২৮



আজ শুক্রবার বিকেলে ভয়াবহ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন সেখানকার প্রাদেশিক সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাইজ কাকার। ইসলামিক স্টেট এই হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এর আগে গত ১০ জুলাই আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টির (এএনপি) এক দলীয় বৈঠকে বিস্ফোরণে ২০ জন নিহত হন। আগামী ২৫ জুলাইয়ের জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে তিন দিনের ব্যবধানে পাকিস্তানে বড় ধরনের প্রাণঘাতী হামলা ঘটল।
শুক্রবার বিকালের হামলাটির লক্ষ্য ছিল বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির পিবি-৩৫ (মাসতুং) এলাকার প্রার্থী সিরাজের নির্বাচনী বৈঠক।
এ বিষয়ে প্রাদেশিক সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগা উমর বানগালজাই বলেন, আত্মঘাতী হামলার পর আহতদেরকে দ্রুত ডিস্ট্রিক্ট হেডকোয়ার্টার (ডিএইচকিউ) হাসপাতাল মাসতুং এবং কোয়েটার সিভিল হাসপাতালে নেওয়া হয়। গুরুতর আহতদেরকে নেওয়া হয় সিএমএইচ কোয়েটা হাসপাতালে। কোয়েটায় নিয়ে যাওয়ার পথেই বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির নেতা সিরাজ রাইসানির মৃত্যু হয়।
বেলুচিস্তানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নবাব আসলাম রাইসানির ছোট ভাই নবাবজাদা সিরাজ রাইসানি বেলুচিস্তান মুত্তাহিদা মাহাজ (বিএমএম) এর প্রধান ছিলেন। এবছর আপন ভাই নবাব আসলাম রাইসানির বিরুদ্ধেই পিবি-৩৫ মাসতুং আসনে নির্বাচনী প্রার্থী হয়েছিলেন সিরাজ।
তার কিশোর বয়সী ছেলে হাকমল রাইসানি ২০১১ সালে এ জেলাতেই গাড়িতে গ্রেনেড হামলায় নিহত হন। সেবার সিরাজ ওই গাড়িতে থাকলেও হামলা থেকে অক্ষতভাবে বেঁচে গিয়েছিলেন।
জুলাইয়ের শুরু থেকেই নির্বাচনী সহিংসতায় এরই মধ্যে বহু মানুষ হতাহত হয়েছে। শুক্রবার সকালের দিকে বান্নু তে খাইবার পাখতুনখাওয়ার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আকরাম খান দুররানির গাড়িবহর লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে। হামলায় দুররানি অক্ষত থাকলেও ৩২ জন আহত হয়েছে।