সম্প্রতি গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে বিশেষায়িত একটি ক্লিনিকে দুই মায়ের জিনের মাধ্যমে এক শিশুর জন্ম হয়েছে।
গবেষকরা জানান, ৩২ বছর বয়সী এক নারী কোনোভাবেই মা হতে পারছিলেন না। এমনকি টেস্টটিউব পদ্ধতিতেও তিনি চার বার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে কোন সুফল পাচ্ছিলেন না তিনি। এছাড়াও, ওই নারীর সমস্যা ছিল কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায়।
পরবর্তীতে এক রকম বাধ্য হয়েই গবেষকরা প্রথমে মায়ের ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসদাতা নারীর ডিম্বাণুতে স্থাপন করেন। পরে তা বাবার শুক্রাণু দিয়ে নিষিক্ত করা হয়। এরপর নিষিক্ত ভ্রূণটি মায়ের গর্ভে স্থাপন করেন।
এই গবেষণার নেতৃত্বের দায়িত্তে থাকা নুনো কস্টা-বোরহেস নামের এক গবেষক বলেন, এই পদ্ধতিতে জন্ম নেওয়া শিশুর জিনের ৯৯ শতাংশই এসেছে তার মা-বাবার কাছ থেকে। এবং বাকি ১ শতাংশ জিন এসেছে অন্য এক নারীর দেহ থেকে।
এছাড়াও, বিশ্বজুড়ে গবেষকদের পদ্ধতি সম্পর্কে বিভিন্ন সমালচনা হয়েছে। এ ব্যাপারে যুক্তরাজ্যের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ তাদের নৈতিকতার প্রশ্ন তুলেছেন। এবং তাদের মতে এ ধরনের গবেষণা করা কখনোই করা উচিত নয় বলে জানিয়েছেন।

