আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি আগের মাসের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশের বেশি কমে সাড়ে আট লাখ টনে নেমে এসেছে পাম ওয়েলের দাম। কুয়ালালামপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অ্যামস্পেক এগ্রি মালয়েশিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রফতানিতে মন্দাবস্থার প্রভাব পড়েছে পাম অয়েলের বাজারে। সর্বশেষ কার্যদিবসে পণ্যটির দাম দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১-২৫ জুন সময়ে মালয়েশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৮ লাখ ৬০ হাজার ২১৭ টন পাম অয়েল রফতানি হয়েছে, যা আগের মাসের একই সময়ের তুলনায় ১২ দশমিক ৫ শতাংশ কম। গত মাসের ১-২৫ তারিখ পর্যন্ত দেশটি থেকে মোট ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৬৫৬ টন পাম অয়েল রফতানি হয়েছিল। সে হিসাবে, এক মাসের ব্যবধানে দেশটি থেকে পণ্যটির রফতানি কমেছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৩৯ টন।
রফতানি হ্রাসের খবরে সর্বশেষ কার্যদিবসে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের দরপতন হয়েছে। এদিন বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে দিন শেষে সেপ্টেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি টন পাম অয়েল বিক্রি হয় ২ হাজার ২৬৬ রিঙ্গিত (স্থানীয় মুদ্রা) বা ৫৬৪ ডলার ৮১ সেন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৮ শতাংশ কম। গত ১৯ জুনের পর এটাই পণ্যটির সর্বনিম্ন দাম। দিন শেষে মালয়েশিয়ার বাজারে মোট ১৯ হাজার ৫৩১ লট (প্রতি লটে ২৫ টন) পাম অয়েল বেচাকেনা হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, শুল্ক নিয়ে জটিলতার জের ধরে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল রফতানি খাতে মন্দাভাব বজায় রয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য ভোজ্যতেলের দামও তুলনামূলক বেশি রয়েছে। এসব কারণে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের দাম কমতে শুরু করেছে।
