গতকাল শুক্রবার রাজশাহীর পদ্মা নদীতে বর-কনে যাত্রীসহ দুই নৌকাডুবির ঘটনায় আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া যুবকের নাম রতন আলী (২২)। তিনি মহানগরের রাজপাড়া থানার বসুয়া এলাকার গাজী শেখের ছেলে। এছাড়া নিখোঁজ কনের দুলাভাই। শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে ৩টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আজ শনিবার(৭ মার্চ) সকালে পদ্মা নদীর চারঘাট অংশের ইউসুফপুর থেকে মনি বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের পর এখলাস হোসেন (২২) নামের এক যুবকের লাশও উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে পদ্মায় নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো চারজনে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় পাঁচজন।
আজ শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে মহানগরের শ্রীরামপুর ঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে এখলাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে আরো দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
নিহত এখলাস পবা উপজেলার কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের আসলাম হোসেনের ছেলে এবং নৌকাডুবিতে নিখোঁজ কনে সুইটি খাতুন পূর্ণিমার চাচাতো ভাই। এছাড়া এখলাস পেশায় কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পদ্মার ওপারের পবা উপজেলার চরখিদিরপুর এলাকার ইনসার আলীর ছেলে আসাদুজ্জামান রুমনের সঙ্গে একই উপজেলার ডাঙেরহাট এলাকার শাহীন আলীর মেয়ে সুইটি খাতুনের বিয়ে হয়।
শুক্রবার (৬ মার্চ) বরের বাড়ি থেকে নৌকায় বর-কনেকে নিয়ে আসছিল কনেপক্ষ। সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজশাহী নগরীর শ্রীরামপুর ডিসির বাংলো এলাকায় পদ্মা নদীতে ডুবে যায় নৌকাদুটি।
খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রাজশাহী সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন, পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দীন ও জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক। তারা হাসপাতালে উদ্ধারকৃতদের খোঁজ নেন।

