পরমাণু অস্ত্র বিষয়ে সেনাবাহিনীর সাথে কিমের জরুরি বৈঠক


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

প্রায় অনেকদিন পর আবারো জনসমক্ষে আসলেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন।

স্থানীয় এক সংবাদ মাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, সম্প্রতি দেশের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের বৈঠকে যোগ দিতে হাজির হয়েছিলেন উত্তর কোরিয়ার এই সর্বোচ্চ শাসক।

আরও জানা যায়, সে দিনের বৈঠকে মিলিটারির উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে দেশের পরমাণু যুদ্ধ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি (Nuclear War Deterrence) করতে নতুন নীতি প্রনয়ণ সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন কিম।

তবে এই জরুরি মিটিং কবে হয়েছে, সে সংক্রান্ত কোনও খবর পাওয়া যায়নি। যদিও কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি বা KCNA-র তরফে বলা হয়েছে, “বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক যুদ্ধ বিরোধকে আরও বাড়িয়ে তোলার এবং সশস্ত্র বাহিনীকে কৌশলগত উপায়ে একটি উচ্চ সতর্কতামূলক অপারেশনে শামিল করার জন্য নতুন নীতিমালা উত্থাপন করা হয়েছে।”

মিলিটারি কর্তাদের সঙ্গে ওই বৈঠকের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন নথি পরীক্ষা করে মিলিটারি কর্তাদের বেশ কিছু নির্দেশ দিচ্ছেন উত্তর কোরিয়ার শাসক।

কিম জং উন (Kim Jong Un) উত্তর কোরিয়ার মিলিটারি কমিশনেরও প্রধান। কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি বা KCNA-র রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সে দিনের বৈঠকে বেশ কিছু সেনাপ্রধানের পদের রদবদল করেন কিম।

এত দিন মিলিটারি চিফ ছিলেন পাক জোং চোন। তাঁকে সেই জায়গা থেকে সরিয়ে নিয়ে আসা হয় ভায়েস মার্শালের পদে। এ ছাড়াও রি পিয়ং চোল-কে অস্ত্রশস্ত্র সংক্রান্ত অগ্রগতির দিক খতিয়ে দেখার জন্য সিনিয়ার পার্টি অফিসিয়াল ইনচার্জ করা হয়েছে।

এর আগে তাঁর শারীরিক অসুস্থতার খবরে বিশ্বজুড়ে হইচই পড়ে গিয়েছিল। এমনকী কিম মারা গিয়েছেন দাবি করে একটি ছবিও প্রকাশ করে দেওয়া হয়েছিল হংকং টিভি-র তরফে। আর সেই সব গুঞ্জনের মাঝেই দেশের একটি সার কারখানার উদ্বোধনে গিয়ে গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়েছিলেন উত্তর কোরিয়ায় শাসক কিম জং উন।

তবে এ বিষয়ে সিওলের এওহা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লেইফ-এরিক ইজলে কিমের এই জনসমক্ষে আসার অন্য অভিসন্ধি খুঁজে পেয়েছেন।

তাঁর কথায়, “কিমের এই জনসমক্ষে আসার পিছনে যতটা না আন্তর্জাতিক সংকেত রয়েছে, তার থেকেও বেশি দেশীয় রাজনীতির প্রভাব রয়েছে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল, যতবারই আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলো কিমের মৃত্যুর জল্পনা সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করছে, তত বারই সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে প্রকাশ্যে আসছেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট।