প্রাইজবন্ড কি, পুরস্কারের মূল্যমান কত?


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

প্রাইজবন্ড হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর কর্তৃক প্রবর্তিত এক প্রকার কাগুজে মুদ্রা।

বিষয়টা অনেকটা লটারির মতো তবে পার্থক্য আছে। তবে লটারি ‘ড্র’ হয়ে গেলে সেটার আর মেয়াদ থাকে না এবং লটারিটির মূল্যও থাকে না অর্থাৎ লটারিতে না জিতলে পুরো টাকাটা লস। কিন্তু প্রাইসবন্ড ‘ড্র’ হয়ে যাওয়ার পরও এর মেয়াদ শেষ হয় না। পরবর্তী ‘ড্র’ এর সময়ও এর মেয়াদ থাকে।

অর্থাৎ প্রাইজবন্ড এর মেয়াদ শেষ হয় না। আর সবচেয়ে মজার বিষয় হল প্রাইজবন্ড এর কয়েকবার ‘ড্র’ হওয়ার পরও, চাইলে সেগুলো ভাঙানো যায়। তবে প্রাইজবন্ডের গ্রাহক কোন সুদ পান না, এটি মূলত সরকারের প্রতি জনগণের একটি সুদমুক্ত বিনিয়োগ। তাই প্রাইজবন্ডকে সুদমুক্ত জাতীয় বন্ড বলা হয়।

প্রাইসবন্ডের পুরুস্কারের মূল্যমান যথাক্রমে প্রথম পুরস্কার একটি ৬ লাখ টাকা, দ্বিতীয় পুরুস্কার একটি ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, তৃতীয় পুরুস্কার দুটি ১ লাখ টাকা করে, চতুর্থ পুরুস্কার দুটি ৫০ হাজার টাকা করে এবং পঞ্চম পুরুস্কার ৪০টি ১০ হাজার টাকা করে।

কেনার দুই মাস পার হলে প্রাইজবন্ড ড্র-র আওতায় আসে, কেনার ২ মাস পর ড্র-র আওতায় আসবে এটা কেবল নতুন ইস্যু করা বন্ডের জন্য প্রযোজ্য। অর্থাৎ বন্ডের উপর যে তারিখটা সীল দেয়া থাকে সেটা থেকে ২ মাস। মানে যা দাঁড়ায় যে সব প্রাইজবন্ড কেনা হয়নি মানে অবিক্রিত প্রাইজবন্ড লটারির আওতায় আসে না।

একক সাধারণ পদ্ধতিতে (প্রতিটি সিরিজের জন্য একই নম্বর) ড্র পরিচালিত হয়। বর্তমানে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হয় বছরে চারবার যথাক্রমে ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর। তবে উক্ত তারিখগুলোর কোনটিতে কোন সাপ্তাহিক ছুটি (বর্তমানে শুক্র ও শনিবার) বা সরকারি ছুটি (সাধারণ/নির্বাহী আদেশে/ঐচ্ছিক), অথবা অন্য কোন কারনে প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হতে না পারলে পরবর্তী কার্যদিবসে তা সম্পন্ন করা হয়।

বন্ড কেনার দুই মাস পার হওয়ার পর প্রাইজবন্ড ড্র-র আওতায় আসে। ড্র অনুষ্ঠানের দুই বছর পর্যন্ত পুরুস্কারের টাকা দাবি করা যায়। এর মধ্যে কেউ দাবি না করলে পুরুস্কারের অর্থ তামাদি হয়ে সরকারি কোষাগারে ফেরত যায়।

এই দুই বছর নাম্বারটি ইন-এ্যাকটিভ থাকে, দুই বছরের মধ্যে কেহ পুরুস্কারের জন্য আবেদন না করলে নাম্বারটি আবার ড্র লিস্টে চলে যায়। পরবর্তীতে নাম্বারটি আবার পুরস্কার পেতেও পারে। তবে বিগত ২৪টি ড্র-র ফলাফল (৫৫ -৯৪) বিশ্লেষণ করে এমন নজির পাওয়া যায়নি।