বাংলাদেশে সক্রিয় যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সংগঠন


বাংলাদেশে সক্রিয় যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সংগঠন

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান এবং কয়েকটি সন্ত্রাসী সংগঠন এবং ব্যক্তিকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়।
সেইসাথে তালিকাভুক্ত কয়েকটি সংগঠনের কার্যক্রম বাংলাদেশে রয়েছে বলে মনে করে দেশটি।

এই কালো তালিকাভুক্ত কয়েকটি সংগঠন গ্লোবাল রিলিফ ফাউন্ডেশন, বেনেভোলেন্স ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন, আল হারমাইন ইসলামিক ফাউন্ডেশন, রিভাইভাল অব ইসলামিক হেরিটেজ, আইসিস-বাংলাদেশ, আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট ও হরকত-উল জিহাদ। এর মধ্যে অন্তত দুটি সংস্থার বাংলাদেশ অফিসের ঠিকানাও উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত এক বাংলাদেশি কূটনীতিক বলেন, ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট কালো তালিকাভুক্ত করার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ওইসব সন্ত্রাসী সংগঠনের যে সম্পত্তি আছে সেগুলোকে বাজেয়াপ্ত করে থাকে। তিনি জানান, গোটা বিষয়টি তাদের জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয় এবং এর মাধ্যমে সন্ত্রাসী সংগঠনের আর্থিক ক্ষতিসাধনের মাধ্যমে দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে আল হারমাইন ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও রিভাইভাল অব ইসলামিক হেরিটেজের বিভিন্ন দেশের অফিসের যে ঠিকানা রয়েছে, তার মধ্যে ঢাকার উত্তরায় ওই দুই সংস্থার অফিস আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র কালো তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সংগঠনের বিষয়ে বাংলাদেশকে কোনও তথ্য দেয় কিনা জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলেন, দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে একটি বোঝাপড়া আছে। যার মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে।

এদিকে, জামায়াতে ইসলামী বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে যে অভিযোগ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক কংগ্রেসম্যান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, আমরা বিষয়টি জানি এবং ওই কংগ্রেসম্যানরা আমাদের বিষয়টি জানিয়েছেন।

ইন্ডিয়ানার কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাংকস, টেনেসির চাক ফ্লেইসমান ও টেক্সাসের র‍্যারন্ডি ওয়েবার গত ১ নভেম্বর স্টেট ডিপার্টমেন্টের কাউন্টার টেরোরিজম কোঅর্ডিনেটর নাথান সেলসের কাছে জামায়াতের সন্ত্রাসী অর্থায়নের তথ্য-প্রমাণসহ একটি চিঠি পাঠিয়েছে।