নিজের ১৬ বছরের মেয়েকে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করত বাবা। আত্মমর্যাদার ভয়ে এতদিন কাউকে কিছু জানায়নি। কিন্তু এবার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে সেই কথা আর প্রকাশ না করে পারেনি নির্যাতিত ওই কন্যা।
এমতাবস্থায় স্বামীর এই বর্বর চরিত্র প্রকাশ পেয়েছে স্ত্রীর সামনে। একদিকে মেয়ে, অন্য দিকে স্বামী। এমন পরিস্থিতিতে শয়তান স্বামীর পাশেই দাঁড়াতে হয় স্ত্রীকে।
পরিবারের এই কুকীর্তির কথা ঢাকতে দ্বিতীয় কোনও পথ খোলা ছিল না অসহায় মহিলার সামনে। এই অবস্থায় অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে খুন করায় স্বামীকে সাহায্য করে মা। রাজস্থানের আলওয়ারের এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সোমবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ না-জানালে, গোটা ঘটনা আড়ালেই থেকে যেত। বাবার কুকীর্তি জানতে পেরে, স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে রাজস্থান স্টেট কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটসে অভিযোগ জানায় বড় মেয়ে। তার পরেই গোটা ঘটনা লোকচক্ষুর আড়াল থেকে সামনে আসে।
ভিওয়াদির পুলিশ সুপার আমনদীপ কাপুর জানান, অভিযুক্তের বাড়ি আলওয়ারের নীমরানা শহরে। ১০ মে অন্তঃসত্ত্ব ওই কিশোরী বাবার হাতে খুন হয়।
স্ত্রীর কাছ থেকে মেয়ের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর জানতে পেরে, ওই দিন শ্বাসরোধ করে খুন করে। সাহায্য করে স্ত্রী। লোকজন যাতে সন্দেহ না করে, পরদিন মেয়ের শেষকৃত্যও করে ফেলে। কিন্তু, বড় মেয়ে সব জেনে চুপ থাকতে পারেননি।
কমিশন পুলিশকে ঘটনার কথা জানানোর পরেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা ছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। শ্মশান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে। স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেফতার করে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সূত্র: এই সময়

