চাঁদ দেখা নিয়ে দুই রকম ঘোষণার কারণে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ৫ গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষ আজ বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে।
গ্রামের বাসিন্দারা বুধবার রোজা রাখার সিদ্ধান্ত নেন এবং ৩০ রোজা পূর্ণ করে ঈদ উদযাপন করেন। এর ফলে দেশে টানা তৃতীয় দিনের মতো ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হলো।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার নান্দেড়াই, পলাশবাড়ী, শুকদেবপুর, বিন্যাকুড়ি ও দক্ষিণ নগর গ্রামের একাংশের লোকজন ঈদ উদযাপন করে।
এদিন সকাল ৯টায় চিরিরবন্দর ইউনিয়নে আলাদা চারটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়মেরাইডাঙ্গা ঈদগাহ মাঠে। এ মাঠের জামাতে ইমামতি করেন ইমাম নাজমুল হক হামদানী ও চিরিরবন্দর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ইমামতি করেন ইমাম আব্দুল মান্নান।
ইমাম আব্দুল মান্নান বলেন, চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রান্তির কারণে আমরা মঙ্গলবার তারাবি নামাজ আদায় করি এবং ভোরে সেহেরী খেয়ে রোজা রাখি। তাই আমরা ৩০ রোজা পূরণ করে ঈদের নামাজ আদায় করলাম।
স্থানীয় মুসল্লির জানান, যেহেতু হাদিসে চাঁদ দেখে রোজা ও ঈদ উদযাপনের কথা বলা হয়েছে সে কারণে তারা আজ ঈদ উদযাপন করেছেন।
যেকোন ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রতিটি ঈদগাহে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আজ ঈদ উদযাপন করা এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

