মার্চের বেতন পাবেন সকল শ্রমিক


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

চলমান করোনা সঙ্কটে সমালোচনার মুখে সব ধরণের পোশাক কারখানা ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে বিজিএমইএ।

এর আগে কারখানা চালু রাখার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি দিয়ে দফায় দফায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন সংগঠনটির সভাপতি ড. রুবানা হক। পরে, এক অডিও বার্তায়, সব শ্রমিককে মার্চের বেতন পরিশোধের পাশাপাশি অনুপস্থিতির কারণে কেউ চাকরি হারাবেন না বলেও নিশ্চয়তা দেন তিনি।

ঢাকামুখী মানুষের স্রোত নিয়ে শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলে তোলপাড়। করোনা আতঙ্কে দেশজুড়ে আগেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে গণপরিবহন চলাচল ও সব ধরণের জনসমাগম। অথচ, চাকরি হারানোর ভয়, আর পাওনা বেতনের জন্য মালিক পক্ষের হুমকির মুখে পায়ে হেঁটে ঢাকায় রওনা দেন দেশের বিভিন্ন জেলার পোশাক শ্রমিকরা।

আর এতেই তোলপাড় শুরু হয় ফেইসবুক, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগের নানা মাধ্যমে।

এর মধ্যেই সন্ধ্যায় রুবানা হক এক অডিও বার্তায় জানান, কার্যাদেশ থাকলে শ্রমিকদের সুরক্ষা দিয়ে চালু রাখা যাবে কারখানা।

বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, যে মালিকদের কাজ আছে, যারা সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয় নিশ্চিত করতে পারবেন। তারা কারখানা চালু রাখতে পারবেন যদি কাজ থাকে।

একি সময়ে দফায় দফায় গণমাধ্যকর্মীদের সঙ্গে আলাপ চলতে থাকে বিজিএমইএর। নানা প্রশ্নের পর, রাত পৌনে ১০টায় রুবানা হক দেন নতুন ঘোষণা।

রুবানা হক বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১১ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ রাখার জন্য সকল কারখানা মালিক ভাই ও বোনদের বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

একই সঙ্গে এটাও আশ্বস্ত করতে চাই, শ্রমিক ভাইও বোনদেরকে। তারা তাদের মার্চের বেতন পাবেন, এটা নিয়ে শঙ্কিত হবার কোনো কারণ নেই। একই সঙ্গে অনুপস্থিতির কারণে তারা চাকরি হারাবেন না, এজন্য মানবিক বিবেচনায় কারখানা মালিকদের বিনীতভাবে অনুরোধ করেছি।

এখানেই শেষ নয়, নিজেদের সিদ্ধান্তহীনতার সাফাই গাইতে রাত দেড়টায় বিজিএমইএর অফিসিয়াল ফেইসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে সংগঠনটি জানায়, কারখানা বন্ধ করার ক্ষমতা নেই তাদের। ২১ ও ২৬ শে মার্চের দুটি সভার সূত্র উল্লেখ করে বলা হয়, কারখানা খোলার অনুমতিও দেননি তারা। প্রশ্ন ওঠে রাষ্ট্রে অঘোষিত লকডাউন চলমান থাকার পরও কারখানা চালু রাখার ঘোষণা আসে কিভাবে।

যদিও পোস্টটির শেষ লাইনে সংগঠনটি স্বীকার করে, জনগণের ক্ষোভ দেখেই নেয়া হয়েছে কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত।