সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরির পাশাপাশি ইনিংসটাকে ডাবল সেঞ্চুরিতে পরিনত করেছেন মুশফিকুর রহিম। সঙ্গে ছিল লিটন দাসের দ্রুত গতির ব্যাটিং। বোঝাই যাচ্ছিলো রানের পাহাড় গড়েছে বাংলাদেশ। মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে টাইগারদের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৫৬০ রান। লিড দাঁড়িয়েছে ২৯৫ রান।
মুশফিকের ডাবল সেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছাতে খেলেন ৩১৫ টি বল। বাউন্ডারি হাঁকান ২৮টি। মুশফিকের অপরাজিত ২০৩ রানের সেঞ্চুরির পরপরই ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।
তৃতীয় দিন সোমবার ব্যাট করতে নেমে প্রায় দুই সেশনের মতো টিকে ছিল মুমিনুল ও মুশফিক জুটি। তাদের ব্যাটে ভর করেই বড় স্কোরের মঞ্চটা তৈরি হয়েছে। ২২২ রানের এই জুটি ভেঙেছে চা পানের বিরতির ঘণ্টা খানেক আগে মুমিনুল হকের বিদায়ে। ১৩২ রানে ফিরেছেন অধিনায়ক। তিনি বিদায় নিয়েছেন এনডিলোভুকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে।
এর পর কিছুক্ষণের জন্য মুশফিকুর রহিমের সঙ্গী হন মিঠুন। তবে মুশফিককে খুব বেশিক্ষণ সময় দিতে পারেননি তিনি। বামহাতি স্পিনার এনডিলোভুর স্পিনেই গ্লাভসবন্দী হয়েছেন তিনি। শুরুতে আম্পায়ার আউট দিলে রিভিউ নেন মিঠুন। সেখানেও সুসংবাদ মেলেনি। ১৭ রানে ফিরে যান তিনি।
তবে মুশফিক অবশ্য অপরপ্রান্ত আগলেই খেলছেন। তার ইনিংসে ভর করে লিড আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে বাংলাদেশের। লিটন ব্যাট চালিয়ে পঞ্চম হাফসেঞ্চুরি তুলে বিদায় নিয়েছেন সিকান্দার রাজার বলে গ্লাভসবন্দী হয়ে। লিটনের ৯৫ বলের ইনিংসে ছিল ৪টি চার। পরে ব্যাটিং-এ আসেন তাইজুল। তিনি ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
উল্লেখ্য, দেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মুশফিক। বলা বাহুল্য, বাংলাদেশের পক্ষে দুইটি ডাবল সেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটসম্যানও ছিলেন তিনি। মুশফিক ব্যতীত আর কারও নেই দুইটি দ্বি- শতকের কৃতিত্ব। তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান করেছেন ১টি করে ডাবল সেঞ্চুরি।

