দারুণ ছন্দে থাকা বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে এবার করলেন দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক। তার একটি গোলে অবদান রাখা লুইস সুয়ারেস নিজেও করলেন এক গোল। দুই তারকার নৈপুণ্যে তাদেরই মাঠে হারিয়ে শিরোপার পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল কাতালান এই ক্লাবটি।
লা লিগার ম্যাচে রোববার রাতে ৪-১ গোলে জয় তুলে নেয় শিরোপাধারীরা।
গত নভেম্বরে কাম্প নউয়ে ৩-৪ গোলে বেতিসের কাছে হেরেছিল বার্সেলোনা। এবার মধুর প্রতিশোধ নিল এরনেস্তো ভালভেরদের দল। জয় তুলে নিয়েই প্রতিপক্ষের মাঠ ছাড়লো মেসিবাহিনী।
বেতিসের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। বার্সেলোনার বিপক্ষে সমানে সমানে লড়াই করে পয়েন্ট তালিকার ৮ নম্বরে থাকা দলটি। খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে না পারা বার্সেলোনাকে প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে নেন মেসি।
অষ্টাদশ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে বল জালে পাঠান বার্সা অধিনায়ক। চলতি আসরে সরাসরি ফ্রি-কিক থেকে এটি মেসির চতুর্থ গোল।
৪১তম মিনিটে গোল করার সুযোগ পেয়েও দলকে হতাশ করেন উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকার গোলরক্ষক লুইস সুয়ারেস।
যোগ করা সময়ে ব্যবধান বাড়ান মেসি। সতীর্থের দিকে না তাকিয়েও দারুণ এক ব্যাকহিলে তাকে খুঁজে নেন সুয়ারেস। ছুটে গিয়ে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
চলতি আসরে এটি সুয়ারেসের দশম অ্যাসিস্ট। ৬০তম মিনিটে তা একাদশ হয়ে যেতে পারতো। তার দারুণ ক্রসে ফাঁকা জালে বল পাঠাতে কেবল একটা টোকা দরকার ছিল জর্দি আলবার। তিনি বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি।
৬৩তম মিনিটে আর হতাশ হতে হয়নি এই স্ট্রাইকারকে। আরেক খেলোয়াড়ের স্লাইড এড়িয়ে ডান পায়ের শটে পোস্ট ঘেঁষে জাল খুঁজে নেন তিনি।

লা লিগায় উরুগুয়ের ফুটবলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮ গোল করা দিয়েগো ফোরলানের পাশে বসলেন সুয়ারেস। চলতি আসরে এটি তার ২১তম গোল।
৮২তম মিনিটে লোরেন মোরনের গোলে ব্যবধান কমায় বেতিস। ডি-বক্সে আলবা পা পিছলে পড়ে গেলে বল পেয়ে যান দিয়েগো লাইনেস।
৮৫তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত হ্যাটট্রিকের দেখা পান মেসি।

