আশঙ্কা ছিল, এবং তাই সত্যি প্রমাণিত হলো। বিশ্বকাপ খেলতে ইংল্যান্ড যাচ্ছেন না মোহাম্মদ আমির। কেননা, মোহাম্মদ আমিরকে ১৫ জনের বিশ্বকাপ দলে রাখেনি পাকিস্তান।
২০১০ সালে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে ক্যারিয়ার থেকে থেকে চলে যায় পাঁচটি বছর। ২০১৬ সালে ফিরে পরের বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আলো ছড়ালেও বর্তমানে ফর্মহীন ২৭ বছর বয়সী এই পেসার।
তাই বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত খেলা হয়নি আমিরের। তার বদলে নেওয়া হয়েছে আরেক বাঁ হাতি পেসার জুনায়েদ খান ও ১৯ বছর বয়সী মোহাম্মদ হাসনাইনকে।
পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক ইনজামাম উল হক দল প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা সম্ভাব্য সেরা স্কোয়াডই বেছে নিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলটা রাখার চেষ্টা করেছি।’
বিশ্বকাপের দলে না থাকলেও ইংল্যান্ড সিরিজে দলের সাথে থাকবেন তিনি।
ফখর জামান ও ইমাম উল হকের পাশাপাশি তৃতীয় ওপেনার হিসেবে আবিদ আলীকে স্কোয়াডে রাখা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করা আবেদ আলীর অভিজ্ঞতা কেবল দুই ম্যাচ।
স্কোয়াডে মোট পাঁচ পেসার রাখা হয়েছে। তারা হলেন জুনায়েদ খান, হাসনাইন, শাহীন আফ্রিদি, ফাহিম আশরাফ ও হাসান আলী। স্পিন বিভাগ সামলাবেন লেগি শাদাব খান ছাড়াও আছেন শোয়েব মালিক ও হাফিজ।
মিডলঅর্ডারে বাবর আজম, শোয়েব মালিক ছাড়াও মোহাম্মদ হাফিজ, হারিস সোহেল ও সরফরাজ আছেন। তবে হাফিজকে ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হবে বলে জানিয়েছে অনেক সংবাদ মাধ্যম।
পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দল:
সরফরাজ আহমেদ (অধিনায়ক), ফখর জামান, ইমাম-উল-হক, আবিদ আলী, বাবর আজম, শোয়েব মালিক, মোহাম্মদ হাফিজ, শাদাব খান, ইমাদ ওয়াসিম, হাসান আলী, ফাহিম আশরাফ, শাহীন আফ্রিদি, জুনায়েদ খান, মোহাম্মদ হাসনাইন ও হারিস সোহেল।

