করোনা সংক্রমণের কারণে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। এর ফলে পরিবহণ বন্ধ হয়ে গেছে। তবে এই পরিস্থিতিতেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার এক সোনার দোকানের কর্মচারী সঞ্জয় প্রতিনিয়তই নদীতে সাঁতার কেটে কাজে পৌঁছে যান।
করোনাভাইরাস এবং লকডাউনের কারণে জলপথে পরিবহণ বন্ধ হয়। এর জেরেই গত ২০ দিন ধরে সাঁতরে কাজে যাচ্ছেন সঞ্জয় নিজের ও পরিবারের পেটের তাগিদে।
এ বিষয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম PTI-কে দেয়া এক অনলাইন সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় জানান, ‘আমি মোটেই ভালো সাঁতার জানি না। তবে আর কোনও উপায় নেই। তবে পাঁচ জনের পরিবারে খাবার জোগাড় করতে হুগলি নদীতে ২ ঘণ্টা সাঁতার কেটে কাজে পৌঁছই।’
মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতন। ছুটি নিলে ওই দিনের টাকা কাটা যায়। এমন অবস্থায় হুগলি নদীতে সাঁতার ছাড়া উপায় থাকে না সঞ্জয়ের কাছে। ‘মালিক বলেছেন, ছুটি নিলে টাকা কাটবে। আগে বোট পেয়ে যেতাম। লকডাউনে তা বন্ধ। তাই সাঁতরে কাজে পৌঁছতে হচ্ছে।’
গোটা ঘটনা জানার পর সঞ্জয়ের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত।
সুত্র: এই সময়।

