ল্যাব নয়, পশুর শরীরই করোনার উৎস : হু


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24
The logo of the World Health Organization is seen at the WHO headquarters in Geneva, Switzerland, Thursday, June 11, 2009. The World Health Organization held an emergency swine flu meeting Thursday and was likely to declare the first flu pandemic in 41 years as infections climbed in the United States, Europe, Australia, South America and elsewhere. (AP Photo/Anja Niedringhaus)


গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম শনাক্ত হয় করোনাভাইরাস। এরপর বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া। এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে।

এই করোনার উৎপত্তি কোথায়?  চীনের উহানের সিফুড মার্কেট থেকে নাকি ল্যাবরেটরি থেকে এই ভাইরাসের উৎপত্তি তা নিয়ে চলছে বিতর্ক।

অবশেষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মঙ্গলবার জানিয়ে দিল, গত বছর শেষের দিকে চীনের কোনও পশুর শরীর থেকেই তৈরি হয়েছে। কোনও ষড়যন্ত্র করে বা ল্যাবরেটরি থেকে কোভিড-১৯ এর উৎপত্তি হয়নি।

ডব্লিউএইচও এর মুখপাত্র ফাডেলা শইব বলছেন, সমস্ত প্রামাণ্য তথ্য খতিয়ে দেখার পরে এটাই বোঝা যাচ্ছে করোনা ভাইরাসের উৎস কোনও পশু থেকে। এটি ল্যাবরেটরি থেকে তৈরি হয়নি। পশুর শরীর থেকেই এই ভাইরাসের উৎপত্তি এমন সম্ভাবনাই দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলছেন, খুব সম্ভবত বাদুড়ের শরীর থেকেই এই ভাইরাসের উৎপত্তি। কিন্তু এই ভাইরাস বাদুড় থেকে কীভাবে মানুষের শরীরে সংক্রামিত হল সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়।

কিছুদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, সারা বিশ্ব জুড়ে হাহাকার তৈরি করা এই প্রাণঘাতী ভাইরাস উহানের ল্যাবরেটরি থেকে তৈরি হয়েছে কিনা সেই তথ্য বের করার জন্য তিনি উঠে পড়ে লেগেছেন।

করোনা ভাইরাস মহামারির বিষয়ে ডব্লিউএইচও যেভাবে কাজ করছে তাতে সন্তুষ্ট না হওয়ায় জাতিসংঘের এই সংস্থাকে অর্থ দিয়ে সাহায্য করবেন না বলে জানিয়েছিলেন ট্রাম্প।

এই প্রসঙ্গে ফাডেলা বলছেন, আমরা বিষয়টিকে এখনও খতিয়ে দেখছি। কোনও রকম ফাঁক থাকলে তা পূরণ করার জন্য আমি আমাদের পার্টনারদের সঙ্গে কাজ করছি। শুধু কোভিড-১৯ নয় আরও অনেকগুলো হেলথ প্রোগ্রামের জন্য আমরা যে কাজ করছিলাম সেগুলো আমাদের চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

তিনি জানান, এইচআইভি, ম্যালেরিয়া, পোলিওর মতো রোগের জন্যও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী ২ বছরের জন্য ৮১ শতাংশ ফান্ড ছিল। আর এই ফান্ডের অধিকাংশ আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা ও ব্রিটেনের গেটস ফাউন্ডেশন থেকে।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপি করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পার হয়ে গেছে ২৫ লাখ। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজারেরও বেশি মানুষের।