মন্ত্রিসভায় নতুন করে যুক্ত হলেন তিনজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী। এঁদের মধ্য একজন প্রতিমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হলেন। এই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা আজ শপথ নিয়েছেন। এই চারজনকে নিয়ে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা দাঁড়াল ৫৩। তাদের মধ্যে ৩৩ জন মন্ত্রী, ১৭ জন প্রতিমন্ত্রী এবং দুইজন উপমন্ত্রী।
পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বার ও লক্ষ্মীপুরের সাংসদ এ কে এম শাহজাহান কামাল। আর রাজবাড়ীর সাংসদ কাজী কেরামত আলী প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
এদের মধ্যে প্রথম তিনজনকে মন্ত্রী করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা; কাজী কেরামত আলীকে করেছেন প্রতিমন্ত্রী।
বিজয় বাংলা কিবোর্ডের উদ্ভাবক মোস্তাফা জব্বার (৬৮) যেহেতু সংসদ সদস্য নন, তাকে শেখ হাসিনা নিজের মন্ত্রিসভায় নিলেন টেকনোক্র্যাট হিসেবে। কে কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা পরে স্পষ্ট হবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. ছায়েদুল হকের মৃত্যুতে এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদটি শূন্য রয়েছে। নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হতে পারেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই চারজনকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। এর আগে সোমবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম তাঁদের ফোন করে শপথ নিতে বঙ্গভবনে যাওয়ার আহ্বান জানান।
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এবং নতুন মন্ত্রীদের পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে ছিলেন।
মন্ত্রিসভার নতুন এই সদস্যদের বঙ্গভবনে নিয়ে যেতে বিকালে সচিবালয় থেকে পাঠানো হয় চারটি গাড়ি। শপথের জন্য বিকাল সাড়ে ৫টার মধ্যে তারা সবাই বঙ্গভবনে পৌঁছে যান।
শপথ পড়াতে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার একটু আগে সরকার প্রধান শেখ হাসিনাকে সঙ্গে নিয়ে দরবার হলে উপস্থিত হন রাষ্ট্রপ্রধান আবদুল হামিদ।
নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে তিন মন্ত্রীর শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি। পরে হয় প্রতিমন্ত্রীর শপথ। শপথ নেওয়ার পর তিন মন্ত্রী টেবিলে বসে শপথবাক্যে স্বাক্ষর করেন। প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়ে একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেন। পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
