‘মাসুদ রানা’র ২৬০ বইয়ের লেখক আবদুল হাকিম


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

এক বছরের বেশি সময় ধরে আইনি লড়াই শেষে স্পাই থ্রিলার সিরিজ ‘মাসুদ রানা’র ২৬০টি  ও ‘কুয়াশা’ সিরিজের ৫০টি বইয়ের  লেখক হিসেবে স্বত্ব পেতে যাচ্ছেন আবদুল হাকিম।

এক বছরের বেশি সময় ধরে আইনি লড়াই শেষে গতকাল রোববার বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস আবদুল হাকিমের পক্ষে রায় দিয়েছেন।

এর আগে, প্রায় ১০ বছর আগে নিজেকে থ্রিলার সিরিজ ‘মাসুদ রানা’র লেখক দাবি করে বাংলাদেশ কপিরাইট রেজিস্ট্রার অফিসে অভিযোগ জানিয়েছিলেন শেখ আবদুল হাকিম। বিষয়টি প্রথমে গুরুত্ব পায়নি। গেল বছর আবার অভিযোগ করেন।

তিন দফা শুনানি, দুই পক্ষের যুক্তি-পাল্টা যুক্তি ও তৃতীয় পক্ষের বক্তব্যের আলোকে রোববার কপিরাইট অফিসের এক রায়ে বলা হয়েছে, সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কাজী আনোয়ার হোসেন কপিরাইট আইনের ৭১ ও ৮৯ ধারা লঙ্ঘন করেছেন।

বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের রেজিস্ট্রার জাফর রাজা চৌধুরী বলেন, আনোয়ার হোসেন চাইলে ৯০ দিনের মধ্যে এ রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারবেন। এখানে তিনি হেরে গেলে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন।

সেবা প্রকাশনীর জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মাসুদ রানা’র লেখক হিসেবে সবাই মূলত কাজী আনোয়ার হোসেনকেই জানেন। কিন্তু এ সিরিজের প্রথম ১৮টি বইয়ের পরের ২৬০টি বইয়ের লেখক তিনি নন। এর লেখক শেখ আবদুল হাকিম। অথচ একটি বই বাদে কোনোটিতেই কপিরাইট স্বত্ব নেই তাঁর। একইভাবে সেবা প্রকাশনীর আরেক জনপ্রিয় থ্রিলার সিরিজ ‘কুয়াশা’রও ৫০টি বই আবদুল হাকিমের লেখা হলেও লেখক হিসেবে নাম রয়েছে কাজী আনোয়ার হোসেনের।

মাসুদ রানা’ ও ‘কুয়াশা’ সিরিজের লেখক হিসেবে স্বীকৃতিতে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে শেখ আবদুল হাকিম বলেন, ‘এ দুর্যোগের সময়ও খবরটি আমাকে দারুণ আনন্দ দিয়েছে, আমি খুশি। “মাসুদ রানা”র ২৬০টি এবং “কুয়াশা”র ৫০টি বইয়ের লেখক হিসেবে আমি স্বীকৃতি পেয়েছি।’