আক্রান্তে ব্রাজিলের উপর কেবল যুক্তরাষ্ট্র


করোনায় আক্রান্তের রেকর্ড

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রে।

এরপর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। শুক্রবার (২২ মে) দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নতুন করে ২০ হাজার ৮০৩ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে। এতে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৩০ হাজার ৮৯০ জনে।

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুসারে সর্বোচ্চ করোনাভাইরাস রোগী শনাক্তের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে১৬ লাখের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৯৫ হাজার মানুষের।

শুক্রবার তৃতীয় স্থানে নেমে যাওয়া রাশিয়াতে মোট শনাক্ত হয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৪৪৮ জন। শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত বিশ্ব জুড়ে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫২ লাখ ১০ হাজার ৬৫ জনে।

গত ২১ মে ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ব্যাপক আকারে পরীক্ষার অভাবে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবের চেয়ে বেশি হতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন ব্রাজিলে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবের চেয়ে অন্তত ১৫ গুণ বেশি হতে পারে। তাদের এই আশঙ্কা সত্যি হলে দেশটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অন্তত তিনগুণ বেশি হবে।

গত সপ্তাহে ব্রাজিলের বৃহত্তম শহর সাও পাওলোর মেয়র ব্রুনো কোভাস সতর্ক করে দিয়ে বলেন, শারিরীক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা মেনে চলা না হলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারে শহরের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।

শহরটির এক কোটি ২০ লাখ বাসিন্দাকে বাড়িতে থাকার নির্দেশনা দিয়ে পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছেন সেখানকার কর্মকর্তারা। তবে এখনও ভাইরাসটির হুমকি উড়িয়ে দিচ্ছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারো। তার দাবি লকডাউন ঘোষণা করা হলে তা ব্রাজিলের অর্থনীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।