চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে থমকে গেছে বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গন। পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ খ্যাত অলিম্পিক। এক বছর পিছিয়ে টোকিও অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছর।
তবে আগামী বছর গেমসটি আয়োজন সম্ভব কি না তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন আয়োজক কমিটির প্রধান। যদি করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার সম্ভব না হয়, তাহলে আগামী বছরও অলিম্পিক আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না সন্দেহ রয়েছে। বিবিসি’র একটি রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) ও টোকিও অলিম্পিক আয়োজকরা চলতি সপ্তাহেই একটি বোর্ড মিটিং করে। মিটিংয়ের পর যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, আগামী বছর অলিম্পিক আয়োজন নিয়েও বিশেষ আশার আলো তারা দেখছেন না।
টোকিও অলিম্পিক আয়োজক কমিটির প্রধান ইয়োশিরো মোরি জানিয়েছেন, চলতি বছর অলিম্পিক গেমস বাতিল হওয়ার পর করোনা মোকাবিলার জন্য তাদের নতুন করে একটি টাস্কফোর্স গঠন করতে হয়েছে। মোরির আশা, এই টাস্কফোর্স পরের বছর অলিম্পিকের আয়োজনের পথ মসৃণ করবে।
তিনি বলেন, ‘অলিম্পিক আয়োজনের জন্য গত ৫-৬ বছর ধরে আমরা নিরলস পরিশ্রম করেছি। আগামী একটা বছর আমরা আমাদের কাজ জারি রাখব একটা সফল অলিম্পিক আয়োজনের জন্য।’
মহামারি করোনার কবল থেকে এখনও মুক্ত নয় অলিম্পিকের আয়োজক দেশ জাপান। সংক্রমণ ঠেকাতে সে দেশে আগামী ৬ মে পর্যন্ত জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

