আগামী ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচন



গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে আগামী ১৫ মে। এইচএসসি পরীক্ষার পর এবং রোজার আগে এই দুটি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন হচ্ছে।
আজ শনিবার নির্বাচন কমিশন সভা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা এ দুটি সিটি করপোরেশনের ভোটের তফসিল ঘোষণা করেন।
তফসিল অনুযায়ী, মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১২ এপ্রিল; যাচাই-বাছাই ১৪-১৫ এপ্রিল ও প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৩ এপ্রিল।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিবউদ্দিন মণ্ডলকে এবং খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুস আলীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে পাঁচ সিটি করপোরেশনে নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো আইনি জটিলতা নেই বলে সরকারের সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার পর প্রথম ধাপে গাজীপুর ও খুলনার তফসিল দেওয়া হল।
চলতি বছরের নভেম্বর-জানুয়ারির মধ্যে হবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এজন্যে আগামী জুলাইয়ের মধ্যে পাঁচ সিটির ভোট শেষ করার কথা ইতোমধ্যে জানিয়েছেন সিইসি নূরুল হুদা।
২০১৩ সালে পাঁচ সিটিতেই বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরাই জয়ী হন। ৫ বছর আগে নির্দলীয় প্রতীকে ভোট হলেও এবার মেয়র পদে দলীয়ভাবে ভোট হবে গাজীপুর ও খুলনায়। ২০১৩ সালের ৬ জুলাই গাজীপুর সিটিতে এবং খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটিতে ১৫ জুন ভোট হয়। তবে ভোটের পরে সিটি করপোরেশনের প্রথম সভার দিন ধরে ৫ বছরের মেয়াদ শুরু হয়। সে হিসেবে গাজীপুরের ৪ সেপ্টেম্বর এবং খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আর সিলেটের ৮ অক্টোবর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর ও বরিশালের ২৩ অক্টোবর মেয়াদ ফুরোচ্ছে।
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।