মাঠ ও মাঠের বাইরে সাব্বির রহমান এক ভিন্ন চরিত্র। খেলার বাইরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করা বাংলাদেশ জাতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার আবার জড়িয়েছেন বিতর্কে। অভিযোগ উঠেছে, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে পিটিয়েছেন তিনি।
কিন্তু পেটানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন সাব্বির। তিনি জানান, পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই তাকে মারার হুমকি দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি এসে দেখি ময়লার গাড়ি গেইটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এখন ময়লার গাড়ি গেইটের সামনে দাঁড়িয়ে গল্প করলে কেউ ঢুকতে পারবে না বেরোতেও পারবে না। আমি হর্ন দিচ্ছি গাড়ির দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে কী যেন বলতেছে। আমি বললাম ভাই, এখানে গাড়ি রাখলে এখন রোগী কীভাবে হসপিটালে যাবে? যাওয়ার আগেইতো মারা যাবে। উল্টা ওরা আমার প্রতি ক্ষোভ ঝাড়েন। আমাকে বলতেছে এত কথা বলেন কেন আপনি, আপনার কাজ আপনি করেন। তখন আমি বললাম, তোমাকে আমি ঢেকে ঢেকে ত্রাণ দেই, টাকা দেই তুমি এরকম করতেছ কেন? এই তর্কাতর্কিই হইছে ভাই।’
সাব্বির আরও বলেন, ‘আমি রাগের মাথায় দুইটা কথা বলে ফেলছি, আমি মারি নাই ভাই। আমি তাকে কেন মারব ভাই, আমার ক্যারিয়ার আছে না? আমার কি ভয় নাই বলেন। আমি সবার সামনে অকে কেন মারব বলেন। অথচ ১০০ জন লোক নিয়ে এসে আমাকে হুমকি দিয়েছে, আমাকে মারবে, রাস্তায় পেলে এই করবে সেই করবে।’
পুলিশের কাছ থেকে জানা যায়,বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ক্রিকেটার সাব্বির রহমান প্রাইভেটকারে চড়ে নগরীর সাগরপাড়া এলাকায় তার বাড়ির কাছে পৌঁছান। এ সময় বাড়ির রাস্তার সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের গাড়ি দেখে তিনি গাড়িটি সরাতে বলেন।
তবে পরিচ্ছন্নতাকর্মী বাদশা প্রতি উত্তরে বলেন, আমাদের কাজই তো ময়লা সরানো। ময়লা নিয়েই চলে যাবো। কিন্তু সাব্বির পাল্টা ওই পরিচ্ছন্ন কর্মচারীকে বলেন, এটা কি তোর বাপের রাস্তা।
এ নিয়ে কথাকাটাকাটির জের ধরে পরিচ্ছন্ন কর্মচারী বাদশার সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন সাব্বির। পরে অন্য পরিচ্ছন্ন কর্মচারীরা খবর পেয়ে ছুটে এলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

