ইতিহাস গড়তে বাংলাদেশের প্রয়োজন ১৭৮ রান


স্বাগতিকদের হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

প্রথম ফাইনালেই শিরোপা জয়ের প্রত্যাশা। ১৭৮ রান করতে পারলেই হবে ইতিহাস, হবে নতুনের বিজয়। যুব বিশ্বকাপে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেতে বাকি ৫০ ওভার।

ভারতের বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ২০২০ এর ফাইনালে টসে প্রথমে ফিল্ডিং বেছে নেয় বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আকবর আলী। তার সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, তার প্রমাণ শুরু থেকেই রেখেছেন বাংলাদেশের বোলাররা।

শরিফুল ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিবের টাইট লাইন-লেন্থে রান যেন অমাবস্যার চাঁদ হয়ে দাঁড়ায় ভারতের দুই ওপেনার যশস্বী জয়সাল ও সেক্সেনার কাছে। এক পর্যায়ে ৬ ওভারে মাত্র ৮ রান তোলে ভারতের যুবারা।

৭ম ওভারে এসেই সেক্সেনাকে ফিরিয়ে প্রথম উইকেট তুলে নেন অভিষেক দাস। সেক্সেনা ফিরেন ২ রানে। এরপর তিলক ভার্মাকে সাথে করে রানের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করেন জয়সাল।

তবে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে স্কোরবোর্ডে রান জমা পড়ে মন্থর গতিতে। জয়সাল টুর্নামেন্টের চতুর্থ অর্ধশতক তুলে নেন। অন্যদিকে ৩৫ রানে কাঁটা পড়েন তিলক ভার্মা। ভার্মাকে ফেরান তানজিম সাকিব। শরিফুলের দুর্দান্ত ক্যাচে ভাঙে ৯৪ রানের জুটি।

এরপর ব্যাট করতে নামা ভারতের অধিনায়ক প্রিয়ম গার্গ মাত্র ৭ রানে রকিবুল হাসানের বলে তানজিম সাকিবকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন প্যাভিলিয়নে।

একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান জয়সাল। সেঞ্চুরির ঠিক কাছে যেয়ে হার মানতে হয়েছে শরিফুলের গতির কাছে। আউট হওয়ার আগে এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান করেন ৮৮ রান। ঠিক পরের বলেই সিদ্ধেষ ভীরকে আউট করে বাংলাদেশকে খেলায় ফিরিয়ে আনে বাঁহাতি এই পেসার।

৪০ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ তখন ১৫৬ রানে পাঁচ উইকেট। যেখানে ঠিক দুই বল আগে ছিল তিন উইকেট।

শেষ দশ ওভারে যেখানে রানের গতি বাড়ানো প্রয়োজন ছিল ভারতের, ঠিক সেখানে বাংলাদেশের আরও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ টেকে ৭.২ ওভার। বাকি পাঁচ উইকেটের বিনিময়ে ভারতের স্কোরে জমা পরে মাত্র ২১ রান।

ভারতের পক্ষে অভিষেক দাস তিনটি, শরিফুল ইসলাম ও তানজিম সাকিব দুইটি করে এবং রকিবুল হাসান একটি উইকেট লাভ করেন।

দুর্দান্ত বোলিং ও অসাধারণ ফিল্ডিংয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ মাত্র ১৭৭ রান। জিততে হলে ৩০০ বলে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৭৮ রান।