বিশ্বজুড়ে চলমান করোনা পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে সব দেশই। এরইমধ্যে করোনা মোকাবেলায় একটি ভ্যাকসিন বাজারে আনার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে চীন। শুক্রবার দেশটির সরকারি সম্পদ প্রশাসন কমিশন (এসএএসএসি) তাদের দেয়া এক বিবৃতিতে এই কথা জানিয়েছে।
এই বিবৃতির সূত্রে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এ বছরের ডিসেম্বর থেকে পরের বছরের জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিনটি বাজারে আনার ব্যাপারে আশাবাদী এসএএসএসি।
এছাড়াও এসএএসএসি দাবি করেছে, বছরে ১০ থেকে ১২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন তৈরির সক্ষমতা রয়েছে বেইজিং ইনস্টিটিউট অফ বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টসের।
চীনের উহান থেকেই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিল করোনাভাইরাস। সেই উহানের ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টস এবং বেইজিং ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্ট যৌথভাবে করোনার ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে। রয়টার্স এসএএসএসি সূত্রে জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই দুই হাজারের বেশি মানুষের শরীরে ভ্যাকসিনটি পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
উহান ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টস এবং বেইজিং ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টের তৈরিকৃত করোনা ভ্যাকসিন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে। দেশটির সরকারি ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি সিনোফার্মের সহযোগী এ দুই প্রতিষ্ঠান; যার দেখাশোনা করে এসএএসএসি। শুক্রবার চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইচ্যাটে দেয়া বিবৃতিতে এসএএসএসি বলেছে, বছরের শেষের দিকে অথবা ২০২১ সালের শুরুতে বাজারজাত করার জন্য একটি ভ্যাকসিন প্রস্তুত হতে পারে।

