এইডস রোগের ভ্যাকসিন তৈরি করতে গিয়ে করোনার জন্ম!


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

বিশ্বব্যাপী এখন এক আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। সারা বিশ্বে তাণ্ডব চালানো প্রাণঘাতী এ ভাইরাস কিভাবে উৎপত্তি হয়েছে, তা এক রহস্য বটে। নানা জনের নানা মত।

কেউ বলছেন, এটা ল্যাবে তৈরি হয়েছে। কারো কারো মন্তব্য, চীনের উহানের একটি সামুদ্রিক মাছের বাজার থেকে ছড়িয়েছে ভাইরাসটি। যার উৎস হয়তো বাদুড় কিংবা প্যাঙ্গোলিন। কেউ কেউ সোজা অভিযোগ তুলছে চীনের দিকে।

এত এত মতামতের ভিড়ে নতুন তত্ব নিয়ে হাজির হয়েছেন ফ্রান্সের নোবেল বিজয়ী ভাইরাসবিদ ডক্টর লরেত লুক মন্টেগনিয়ের।

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাস মানবসৃষ্ট। সেটি চীনেই তৈরি হয়েছে। চীনের উহানে বায়োলজিক্যাল ল্যাবে এইডস রোগের ভ্যাকসিন তৈরি করতে গিয়ে এ  ভাইরাসের জন্ম হয়েছে।

ফ্রান্সের এক টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এটাকে মেডিকেল দুর্ঘটনা বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, এইডসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে গিয়েই গত বছরের শেষ অংশে শুরুতেই চীনের উহানের ন্যাশনাল বায়োসেফটি ল্যাবরেটরিতে এটির উৎপত্তি হয়েছে।

ড. মন্টেগনিয়ের জানিয়েছেন, চীনা গবেষকরা বলেছিলেন, এইডসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য তারা করোনাভাইরাস নিয়ে কাজ করছিলেন। তাদের বিশ্বাস ছিল, সার্স-কোভ-২ (কোভিড-১৯) এর জিনোমের মধ্যেই রয়েছে এইচআইভি আরএনএর একটি অংশ, যা থেকে এইডসের ভ্যাকসিন তৈরি করা সম্ভব। চীনের ওই ল্যাবরেটরিটি করোনাভাইরাস গবেষণার জন্যই সবচেয়ে বিখ্যাত।

ড. মন্টেগনিয়ের বক্তব্যটি এমন সময় দেয়া হয়েছে, যখন করোনাভাইরাসের উৎপত্তি নিয়ে চীনের বিরুদ্ধে তদন্তে নামছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমরা এ ভাইরাসের উৎপত্তির বিষয়ে অনেক কিছু শুনছি। আমরা তদন্ত করব।

ডক্টর লরেত লুক মন্টোগোমারি চিকিৎসা বিজ্ঞানের জগতে অনেক বড় এক নাম। ইনিই সেই ব্যক্তি, ১৯৮৩ সালে যিনি এইডসের জন্য দায়ী এইচআইভি ভাইরাস আবিষ্কার করেছিলেন। এরপর এইডস নিয়ে গবেষণার ফলে ২০০৮ সালে যৌথভাবে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছিলেন এ বিজ্ঞানী।