বছরে দুবার ডে লাইট সেভিং বা সূর্যের আলোর সুবিধাকে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে ইউরোপে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পরিবর্তন করা হয়। সে হিসেবে ইউরোপে আজ থেকে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশের সাথে ইউরোপের সময় ব্যবধান পাঁচ ঘণ্টা থেকে কমে চার ঘণ্টা হয়ে যাবে।
প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট সংযুক্ত ঘড়ি, টেলিভিশন, এনড্রোয়েড় কিংবা আ্যাপল ডিভাইসে বা অন্য কোনো ধরনের স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এ সময় বদলে যাবে।
প্রতি গ্রীষ্ম ও শীতকালে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের ওপর এক ঘণ্টা পরিবর্তন করা হয়।
১৯১৬ সালে ফ্রান্স এ পদ্ধতি অনুসরণ শুরু করলেও ১৯৪৫ সালে আবার বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সাল থেকে ফ্রান্স আবার নতুন করে এ পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং ১৯৯৮ সালে ইউরোপ জুড়ে এ ডে লাইট সেভিং পদ্ধতি চালু করা হয়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকা এবং ইউরোপের একাংশজুড়ে দিনের আলো সাশ্রয়ের জন্য ‘ডে লাইট সেভিং’ চালু হয়।

