কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম



মে দিবস, শবেবরাত ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা তিনদিন দেশের স্থলবন্দরগুলোয় আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এর জের ধরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি কমে যায়। সরবরাহ কমে আসাকে কেন্দ্র করে দেশের বাজারে বাড়তে শুরু করে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম।
বর্তমানে এ পরিস্থিতি বদলেছে। ছুটির পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে পণ্যটির দামও কমতে শুরু করেছে। হিলিতে তিনদিনের ব্যবধানে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ২ টাকা।
ছুটির আগে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন ৩০-৩৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। ছুটি শেষে স্থলবন্দরের কার্যক্রম শুরুর পর পণ্যটির আমদানি আগের তুলনায় বেড়েছে। এ ধারাবাহিকতায় গতকাল এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৫১টি ট্রাকে মোট ১ হাজার ৫৪ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে বলে হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় জানিয়েছে। স্থানীয় পাইকারি বাজারে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের সরবরাহ তুলনামূলক কম রয়েছে। এ কারণে পণ্যটির দামও রয়েছে বাড়তি। এসব কারণে ক্রেতারা আমদানি করা পেঁয়াজ বেশি কিনছেন। ফলে আমদানি করা পেঁয়াজের চাহিদাও আগের তুলনায় বাড়তি রয়েছে। বাড়তি চাহিদার কারণে পেঁয়াজ আমদানি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় আমদানিকারকরা।
গতকাল স্থানীয় আড়তগুলো ঘুরে ভারত থেকে আমদানি করা প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারি পর্যায়ে (ট্রাকসেল) মানভেদে ২০-২১ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। গত বৃহস্পতিবারও পণ্যটি মানভেদে ২২-২৩ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সেই হিসাবে, স্থানীয় পাইকারি বাজারে তিনদিনের ব্যবধানে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ২ টাকা।