প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির ডাকে রবিবার ভারতজুড়ে চলছে জনতা কার্ফু।
স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে মানুষ ঘরে আছেন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আটকানোর জন্য। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা, কলকাতা থেকে দিল্লি, ভারত আজ এক করোনার থাবাকে রোখার জন্য তৎপর।
অন্যদিকে করোনার থাবায় আরও দুইজন মারা গেছে দেশটিতে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ছয়।
আইসিএমআরের সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ভারতে ৩৪১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এরমধ্যে ছয়জন মারা গিয়েছেন। ২৩ জন আপাতত সুস্থ। একজন বিদেশে চলে গিয়েছেন। ৩৪১ করোনা কেসের মধ্যে ৪১ জন বিদেশি।
সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মহারাষ্ট্রের। ২ জন মৃত সহ ৭৪ জন অসুস্থ। রাজধানী মুম্বইতে আক্রান্ত ২৫।অন্যদিকে কেরালায় অসুস্থ ৫২। দিল্লিতে ২৭, উত্তরপ্রদেশে ২৫। পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা চার।
মুম্বাইয়ে ৬৩ বছরের ব্যক্তি ১৯ তারিখ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। রবিবার সকালে মারা যান তিনি। একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। হাই ব্লাড প্রেসার ছাড়াও তাঁর ডায়বেটিস ও হার্টের সমস্যা ছিল।
ভারতে যেটা সবচেয়ে চিন্তার বিষয় এমন অনেক কেস আসছে, যেখানে রোগী বিদেশেও যাননি, কোনও করোনা রোগীর সংস্পর্শেও আসেননি। তার থেকেই চিন্তা বাড়ছে, তাহলে কী শুরু হয়ে গিয়েছে করোনার তৃতীয় স্টেজ। পশ্চিমবঙ্গের চতুর্থ রোগী, ৫৭ বছরের ভদ্রলোক বাইরে যাননি। তার কী করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হল, সেই নিয়ে চিন্তিত প্রশাসন।

