কানাডার মন্ট্রিয়ল শহরে গরমে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত বুধবার দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
এর পাশাপাশি কুইবেক প্রদেশের ইস্টার্ন টাউনশিপেও আরও পাঁচ জন মারা গেছেন; এসব মৃত্যুও গরমজনিত কারণে হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।
মৃত্যুবরণকারীদের বেশিরভাগই একা থাকতেন এবং তাদের ঘরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা ছিল না বলে জানিয়েছেন মন্ট্রিয়লের জনস্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসক ডেভিড কাইজার।
কানাডার আবহাওয়া বিভাগ মন্ট্রিয়লসহ কুইবেকের দক্ষিণাঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত সতর্কতা জারি করেছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ সতর্কতা বজায় থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি অন্টারিও, নোভা স্কশিয়া ও নিউ ব্রন্সওয়েকেও তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বুধবার মন্ট্রিয়লের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস; বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাপমাত্রার এ অবস্থা বজায় থাকবে এবং শুক্রবার তা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
কুইবেকের দক্ষিণাঞ্চলে বুধবার প্রকৃত তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি থাকলেও জলীয়বাষ্পের কারণে তা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো অনুভূত হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি ‘আরও অসহনীয়’ হয়ে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো অনুভূত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার এক বিবৃতিতে মন্ট্রিয়লের জরুরি বিভাগগুলো জানিয়েছে, তারা প্রতিদিন গরম সংক্রান্ত ১২শরও বেশি কল পাচ্ছেন। কলের এ সংখ্যা সবচেয়ে ব্যস্ত দিনের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
কানাডার আবহাওয়া বিভাগ মন্ট্রিয়লসহ কুইবেকের দক্ষিণাঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত সতর্কতা জারি করেছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ সতর্কতা বজায় থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি অন্টারিও, নোভা স্কশিয়া ও নিউ ব্রন্সওয়েকেও তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বুধবার মন্ট্রিয়লের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস; বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাপমাত্রার এ অবস্থা বজায় থাকবে এবং শুক্রবার তা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
কুইবেকের দক্ষিণাঞ্চলে বুধবার প্রকৃত তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি থাকলেও জলীয়বাষ্পের কারণে তা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো অনুভূত হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি ‘আরও অসহনীয়’ হয়ে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো অনুভূত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার এক বিবৃতিতে মন্ট্রিয়লের জরুরি বিভাগগুলো জানিয়েছে, তারা প্রতিদিন গরম সংক্রান্ত ১২শরও বেশি কল পাচ্ছেন। কলের এ সংখ্যা সবচেয়ে ব্যস্ত দিনের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
