কেজিপ্রতি আরো ৩ টাকা কমলো পেঁয়াজের দাম



দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করে। রোজার শুরুতে পণ্যটির দাম কেজিতে ৬ টাকা পর্যন্ত কমেছিল। এ ধারাবাহিকতায় গতকাল প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজের দাম আরো ৩ টাকা কমেছে।
রোজা ও ঈদ সামনে রেখে ভারত থেকে আমদানি বাড়ানোর কারণে স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়েছে। মূলত এ কারণে পাইকারি পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা।
গতকাল হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের আড়তগুলো ঘুরে ভারতের ইন্দোর, নাসিক, পাটনা, শেখপুর, ভেলোর থেকে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ আমদানি হতে দেখা যায়। রোজা শুরুর আগে স্থানীয় পাইকারি বাজারে (ট্রাকসেল) এসব পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল কেজিপ্রতি ১৬-২২ টাকায়। রোজার শুরুতে পণ্যটির দাম কেজিপ্রতি ৬ টাকা কমে দাঁড়ায় ১৫-১৬ টাকায়। গত দুদিনে সরবরাহ আরো বেড়ে যাওয়ায় আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কেজিতে আরো ৩ টাকা কমেছে। গতকাল ভারত থেকে আমদানি করা এসব পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১২-১৬ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। অন্যদিকে স্থানীয় খুচরা বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১৫-১৮ টাকায়।
সাধারণত হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন ২০-২৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হয়। বর্তমানে রোজা ও ঈদ সামনে রেখে আমদানি বাড়ানোয় প্রতিদিন ৬০-৭০ ট্রাক পেঁয়াজ দেশে ঢুকছে। হিলি স্থলবন্দর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১-১৯ মে পর্যন্ত এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৮৬৪টি ট্রাকে মোট ১৮ হাজার ৩৩০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে গত সাত কার্যদিবসেই পণ্যটির আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৯৫৫ টনে। স্থানীয় পেঁয়াজ আমদানিকারক বাবলুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, বাড়তি আমদানির কারণে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় হিলির পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কয়েক দফা কমেছে।