চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস ইতালি ও স্পেনে মহামারি আকার ধারণ করেছে। দেশ দুটিতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।
উৎপত্তিস্থল চীন থেকে মৃতের সংখ্যায় অনেক এগিয়ে ইতালি। সম্প্রতি চীনকে পিছনে ফেলে দ্বিতীয়তে উঠে এসেছে স্পেন।
ইতালি ও স্পেনই কেন এ মহামারির শিকার? নেপথ্যে খুঁজতে গেলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের একটি ম্যাচকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হয়। আতালান্টা ও ভ্যালেন্সিয়ার ম্যাচ দেখতে এক সাথে ৪০ হাজার দর্শক পাড়ি জমিয়েছিল মিলানে। সেখান থেকেই ইতালি ও স্পেনে শুরু কমিউনিটি ট্রান্সমিশন।
এমনটাই দাবি করেছেন ইতালির চিকিৎসক লুকা লরিনি।
জিওভান্নি হাসপাতালের আইসিউ-এর বিভাগীয় প্রধান লুকা লরিনি বলেন, ‘দেখুন সেই ম্যাচটি দেখতে মাঠে ৪০ হাজার দর্শক ছিলো। আতালান্টা ৪টা গোল করেছে। প্রতিটা গোলেই দর্শকরা একসঙ্গে আনন্দ উপভোগ করেছে। একে অপরকে জড়িয়ে ধরেছে, চুমু খেয়েছে। ঐ ম্যাচের দুই দুইদিন পরেই ইতালিতে কমিউনিটি পর্যায়ে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। আমি বুঝি না ওই সময়ের এমন পরিস্থিতে উয়েফা কি করে এমন কাজ করতে পারলো।’
ম্যাচের দ্বিতীয় লেগটা হয়োছিলো ক্লোজ ডোর। কিন্তু ততক্ষণে সর্বনাশ যা হওয়ার তা হয়ে গিয়েছিলো বলে মনে করেন লুকা। আতালান্টার দর্শকরা ছাড়াও ওই ম্যাচটি দেখতে ২৫শ স্প্যানিশ ফ্যান মিলান ভ্রমণ করেছিলো।
পেপারস লাইফ/স্পোর্টস ডেস্ক

