ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে নির্বাচনী প্রচার কেমন হবে সে বিষয়ে প্রার্থীদের সাথে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়াও প্রার্থীদের সঙ্গে সমঝোতা করতে পাঁচ দফা প্রস্তাবও তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
রোববার(২৩ ফেব্রুয়ারি) রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ ছয় দলের প্রার্থীকে ডাকা হয়েছে। ইসির কর্তারা জানান, রোববার বেলা ১১টায় প্রার্থীদের সঙ্গে বসবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ পুরো কমিশন। ইসির প্রস্তাবের পাশাপাশি প্রার্থীদের প্রস্তাবনা থাকলেও তা পর্যালোচনা করা হবে। সবাই ঐকমত্য থাকলেই নতুন উদ্যোগে কিছু করা সম্ভব।
প্রসঙ্গত, ২১ মার্চ ভোটের দিন সামনে রেখে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ছিল গত বুধবার। ২৩ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রত্যাহারের সুযোগ শেষে ১ মার্চ প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।
এ বিষয়ে ইসি পাঁচটি প্রস্তাব তৈরি করেছে। এগুলো হলো:
১. অনুমোদিত মাত্রায় মাইক বা শব্দযন্ত্র ব্যবহার করতে হবে; অনুমোদিত ক্যাম্পে পোস্টার, ব্যানার, ডিজিটাল ডিসপ্লে স্থাপন করা যাবে।
২. পোস্টার ঝুলাতে হবে ইসি নির্ধারিত ২১ জায়গায়; একেকটি জায়গায় পালা করে মাইকিং চালাবে;
৩. শোভাযাত্রা-পদযাত্রা সীমিত করতে হবে; প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্দিষ্ট দিন ও সময় নির্ধারণ করে দেয়া হবে;
৪. জনসভার জন্য এক বা একাধিক জায়গা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে; পর্যায়ক্রমে অনুমোদন নিয়ে সভা করতে হবে;
৫. তোরণ, ফুটপাতে ক্যাম্প, রাস্তায় পথসভা করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

