জুয়াড়িদের কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সাকিব। কিন্তু জানাননি কাউকে। বিষয়টি গোপন রাখার অভিযোগে ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
একবছরের এই নির্বাসন শেষ হবে সাকিবের। এমন অবস্থায় দুইভাবে দিন গুনছেন সাকিব। সাকিব জানিয়েছেন, দুই ভাবে দিন গুনছেন তিনি। প্রথমত, করোনামুক্ত হয়ে আবার কবে ক্রিকেট ফিরবে মাঠে আর দ্বিতীয়ত, নির্বাসন কাটিয়ে নিজে কবে মাঠে ফিরতে পারবেন।
ক্রিকেট মাঠে ফিরলে কাল থেকেই খেলা শুরু হবে। কিন্তু খেলতে পারবেন না সাকিব। নভেম্বরের আগে মাঠে নামার সুযোগ নেই। এই আক্ষেপ ঝরছে সাকিবের কণ্ঠে। না খেলতে পারার বেদনা হয়ত তিনিই বুঝছেন।
এছাড়াও সাকিব সমালোচনা করেছে আইসিসিরও। ক্রিকেটকে করোনামুক্ত রাখতে একাধিক নতুন নতুন নিয়ম আনতে চলেছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। আইসিসি-র দেওয়া ১৬ পাতার ‘ক্রিকেট গাইডলাইন’-এ রয়েছে একাধিক পরিবর্তনের আভাস।
কিন্তু সাকিব মনে করেন আইসিসি-র এই নির্দেশিকাগুলিকে আরও স্বচ্ছভাবে বর্ণনা করে দেওয়া উচিত্। কারণ ক্রিকেট মাঠে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং রাখাটা খুবই কঠিন ব্যাপার।
এ বিষয়ে সাকিব বলেন, ‘এখন তো শুনতে পাচ্ছি করোনাভাইরাস ১২ ফুট দূরত্ব থেকে সংক্রামিত করতে পারে। তিন বা ছয় ফুট নয়। তার মানে ওভারের মাঝে দুই ব্যাটসম্যান কথা বলতে পারবেন না? তাঁরা কি ক্রিজের দুই প্রান্তেই দাঁড়িয়ে থাকবেন? মাঠে কোনও দর্শক থাকবে না?উইকেটকিপাররা কতদূরে দাঁড়াবে? ক্লোজ ইন ফিল্ডাররা কী করবে?’

