দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের সূচকে বড় ধরনের পতন হয়েছে। এদিন সকাল থেকেই বিক্রয় চাপে টানা নামতে থাকে সূচক। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স ২ দশমিক ২১ শতাংশ কমেছে।
তবে লেনদেন আগের কার্যদিবসের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই দর কমেছে অধিকাংশ সিকিউরিটিজের।
দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩৩ দশমিক ১৫ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২১ শতাংশ কমে ৫ হাজার ৮৮৮ দশমিক ২৯ পয়েন্টে নেমে যায়। ৩৬ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৬৩ শতাংশ কমে ২ হাজার ১৯১ দশমিক ৫৯ পয়েন্টে নেমেছে স্টক এক্সচেঞ্জটির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস৩০। ১৯ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৪২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৭৭ দশমিক ২১ পয়েন্টে অবস্থান করছে শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস।
সারা দিনে ডিএসইতে ১১ কোটি ৯ লাখ ৩ হাজার ৫৮০টি শেয়ার, করপোরেট বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট হাতবদল হয়, যার বাজারদর ছিল ৩৬৪ কোটি ৯০ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবসে তা ছিল ৩২৯ কোটি ৪৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। লেনদেনকৃত সিকিউরিটিজের মধ্যে দিন শেষে দাম বেড়েছে ২৩টির, কমেছে ৩০২টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১১টির বাজারদর।
এদিকে দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রড ইনডেক্স সিএসসিএক্স ২৪৩ দশমিক ৮ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৫ দশমিক ৭৬ পয়েন্টে নেমে যায়। ২৭৬ দশমিক ৪১ পয়েন্ট কমে ১৬ হাজার ৬৮৩ দশমিক ৩১ পয়েন্টে অবস্থান করছে স্টক এক্সচেঞ্জটির নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর সূচক সিএসই ৩০।
সিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ১৬ কোটি ৬৩ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৪ টাকার সিকিউরিটিজ, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ১২০ কোটি ৪০ লাখ ৭৫ হাজার ৮৮১ টাকা।
