করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যেও ঈদের সময় সিনেমা হল খোলার চেষ্টায় দেন দরবার করছিলেন মালিকপক্ষের একাংশ। এ নিয়ে দফায় দফায় তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল।
সর্বশেষ (১৭ মে) প্রদর্শক সমিতির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক আব্দুল আউয়ালের সঙ্গে আলোচনাও হয়। সরকারের কাছে জানানো হয়, পুরনো ছবি চালিয়ে হলেও সিনেমা হল চালু রাখতে চান তারা।
তবে গতকাল (১৮ মে) সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ঈদেও বন্ধ থাকবে সকল প্রেক্ষাগৃহ।
জানা যায়, মধুমিতার অফিসে রোববারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- প্রশাসক আব্দুল আউয়াল, ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ, আতিকুর রহমান লিটন, সিরাজুল ইসলাম বাদল (বর্ষা), পাপ্পু (নন্দিতা হলের ভাড়া মালিক), আলীক আকবর (মনিহারের ভাড়া মালিক), কালাম (এশিয়ার ভাড়া মালিক), মুবিন (চিত্রমহলের ভাড়া হল মালিক), আলীম সরদার (বুকিং এজেন্ট), শহীদুল হক মাস্টার (বুকিং এজেন্ট) এবং অজিৎ নন্দী (ভাড়া হল মালিক)। তাদের দাবি ছিল, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে হল চালু রাখার।
হল মালিক ইফতেখার উদ্দিন নওশাদবলেন, ‘ঈদটাই হলো হল মালিকদের বেঁচে থাকার অবলম্বন। অনেক মালিকই এখন প্রায় নিঃস্ব। তাই আমরা চেয়েছিলাম, পুরনো ছবি হলেও হলটা যেন চালু থাকে।
তবে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের তরফ থেকে বন্ধ রাখার নির্দেশ এসেছে। আমরা সে সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাই। তাই এবার বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঈদুল ফিতরে সব হল বন্ধ থাকছে।’

