মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রে ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডর জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের জন্য নির্ধারিত বিশেষ বিমান বিক্রি করে পাওয়া অর্থ দিয়ে শরণার্থীদের ঠেকাতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নির্বাচনী প্রচারেও লোপেজ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় এলে বিমান বিক্রি করা হবে। তবে সেই অর্থে গরিব মানুষের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এই বামপন্থী নেতা। তবে কেন হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদল। কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প।
দীর্ঘদিন ধরেই শরণার্থী প্রশ্নে মেক্সিকোর উপর চাপ তৈরি করছিল আমেরিকা। সম্প্রতি ট্রাম্প হুমকি দেন, এ বিষয়ে মেক্সিকো পদক্ষেপ না করলে আমেরিকায় মেক্সিকোর রফতানি করা পণ্যে বিপুল পরিমাণ শুল্ক বসানো হবে। তার অবশ্য চুক্তিও করে দুদেশ।
মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি কাগজ দেখিয়ে ঘোষণা করেছেন, শরণার্থী ঠেকাতে মেক্সিকো ও আমেরিকার মধ্যে চুক্তি হয়েছে। যদিও চুক্তির বিষয়টি গোপনই রেখেছেন তিনি।
এদিকে বুধবার লোপেজের কাছে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির বিষয়েও জানতে চায় দেশীয় সংবাধমাধ্যম। সেই সময়েই শরণার্থী ঠেকাতে অর্থ সংস্থানের জন্য প্রেসিডেন্টের জন্য বরাদ্দ বিমানটি বিক্রির কথা জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার কেনা হয়েছিল ২১.৮ কোটি মার্কিন ডলারে। ধারণা করা হচ্ছে, বিমানটি বিক্রি করলে ১৫ কোটি মার্কিন ডলার পাওয়া যেতে পারে।

