সেল্টা ভিগোর সাথে প্যেন্ট হারিয়েছিল বার্সেলোনা। তাই এই ম্যাচ জিতলেই এককভাবে শীর্ষে ওঠার সুযোগ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের সামনে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা।
রোববার রাতে এস্পানিওলকে হারিয়ে শিরোপা লড়াইয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনাকে ২ পয়েন্টে পেছনে ফেলেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্সিভ-মিডফিল্ডার কাসেমিরোর একমাত্র গোলে এ জয় পায় তারা।
শুরুতে নিজেদের গুছিয়ে নিতে একটু সময় নেওয়া রিয়াল ম্যাচের দশম মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগটি পায়। খুব কাছ থেকে হেডে ক্রসবারের ওপর দিয়ে বল পাঠান সের্হিও রামোস। ২০তম মিনিটে ডান দিক থেকে মার্ক রোকার বাঁকানো ফ্রি-কিক পাঞ্চ করে ফেরান রিয়াল গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।
বিরতির আগে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সময় বল দখলে রেখে রিয়াল আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে গেলেও তাদের খেলায় ছিল না চেনা ধার। বরং পাল্টা আক্রমণে স্বাগতিকরা দুবার ভীতি ছড়ায় রিয়াল শিবিরে, যদিও লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে কোর্তোয়াকে পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি তারা।
৪৪তম মিনিটে ১৫ সেকেন্ডের ব্যবধানে তাদের দুটি প্রচেষ্টা রুখে দেন স্বাগতিক গোলকিপার দিয়েগো লোপেস। এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ সুযোগটি নষ্ট করেন আজার; ফাঁকায় বল পেয়ে তার নেওয়া শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান লোপেস।
পরের মিনিটেই এগিয়ে যায় রিয়াল। মাঝমাঠ থেকে সতীর্থের বাড়ানো ক্রস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ব্যাকহিলে পেছনে বল বাড়ান করিম বেনজেমা। আর ছোট ডি-বক্সের মুখ থেকে অনায়াসে ঠিকানা খুঁজে নেন কাসেমিরো।
দ্বিতীয়ার্ধেও সেই একই চিত্র। অধিকাংশ সময় বল দখলে নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ ধরে রাখে, কিন্তু জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারছিল না তারা। উল্টো ৬৫তম মিনিটে জোরালো নিচু ফ্রি-কিকে গোল পেতে পারতো এস্পানিওল, ঝাঁপিয়ে ঠেকান কোর্তোয়া।
শেষ ১০ মিনিটে কেউই তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। উভয় পক্ষেই ছিল ভুল পাসের ছড়াছড়ি। তবে শেষে গিয়ে জয় হাতছাড়া হতে বসেছিল সফরকারীদের; আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে হেড করেছিলেন মার্সেলো। বল পোস্টের বাইরে দিয়ে গেলে হাঁফ ছেড়ে বাঁচে রিয়াল।
এই জয়ে ৩২ ম্যাচে ২১ জয় ও আট ড্রয়ে রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ৭১। দুইয়ে নেমে যাওয়া বার্সেলোনার পয়েন্ট ৬৯।

