সোমবার (২৯ জুন) সকালে রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকার বুড়িগঙ্গা নদীতে ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যায় ছোট আকারের লঞ্চ মর্নিং বার্ড। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বেলা ১১টার দিকে ২৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার হল ডুবে যাওয়া সেই লঞ্চ।
এ ঘটনায় পানিতে ডুবে প্রাণ হারান ৩২ জন নিরীহ যাত্রী। নিহতদের মধ্যে ৯ জন নারী ও ৩ শিশু রয়েছে। তাদের বেশির ভাগই মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান উদ্ধার অভিযানে নামে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (এসএসএমসি) হাসপাতাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে সব ক’টি লাশ শনাক্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ দুর্ঘটনায় দুটি লঞ্চের সার্ভে ও রেজিস্ট্রেশন সনদ স্থগিত করেছে নৌপরিবহন অধিদফতর। ময়ূর-২ লঞ্চটিকে আটক করা হয়েছে। তবে লঞ্চের চালক পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক, মাস্টার, সুকানিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাতে নৌপুলিশ সদরঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শামসুল বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
এতে আসামি হিসেবে ময়ূর-২ এর মালিক মোসাদ্দেক হানিফ সোয়াত ও মাস্টার আবুল বাশারসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

