গত সোমবার বুড়িগঙ্গা নদীতে চাঁদপুরগামী ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় মনিং বার্ড নামের একটি ছোট লঞ্চ ডুবে মারা গেছে ৩৪ জন। মর্নিং বার্ড উদ্ধার করতে যাওয়ার সময় জাহাজ প্রত্যয় বুড়িগঙ্গা সেতুতে প্রচণ্ড ধাক্কা খায়। এতে সেতুর মাঝবরাবর ফাটল দেখা দেয়।
দ্রুতগতির যান চলাচলের কারণে সেই ফাটল বাড়ছে প্রতিনিয়ত। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সেতুটির সংস্কার কাজ শুরু করতে আরো দুই দিন লেগে যেতে পারে বলে।
এ দুই দিন পর্যবেক্ষণ করে সেতু সংস্কারের পদ্ধতিসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তারা জানান।
এ ফাটলের কারণে গত মঙ্গলবার সেতু দিয়ে কোনো যান চলাচল না করায় ভোগান্তিতে পড়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, শুভাঢ্যা ও হাসনাবাদের মানুষ। বর্তমানে ওই সেতু দিয়ে শুধু হালকা যান চলাচল করছে। ভারী যান চলাচল করতে না পারায় বুড়িগঙ্গার দক্ষিণাংশের শিল্প-কারখানার কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য আনা-নেওয়ায় সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা কয়েক দফা সেতু পরিদর্শন করলেও সংস্কারের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে পারেননি। গতকাল শুক্রবারও একটি বিশেষজ্ঞদল ক্ষতিগ্রস্ত সেতু পরিদর্শন করেছে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, আগের চেয়ে সেতুতে ফাটলের আকার বেড়েছে। দ্রুতগতিতে যানবাহন চলায় কম্পন থেকে ফাটল বেড়েছে বলে তাঁদের ধারণা।

