দেশব্যাপী চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে দুই জেলায় বন্দুকযুদ্ধে আরও তিনজন নিহত হয়েছেন। মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর এ নিয়ে গত ১৩ দিনে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২২ জনে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহীর পবা এবং গাজীপুর শহরে নিহত ওই তিনজনই ‘চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারী বলে র্যাব ও পুলিশের ভাষ্য। মাদক কারবারিরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দিকে গুলি করায় পাল্টা গুলি করছে পুলিশ বা র্যাব। কথিত ওই বন্দুকযুদ্ধের মধ্যেই হতাহতের ঘটনা ঘটছে।
কয়েকটি ক্ষেত্রে গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়ার কথা জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের মৃত্যু হয়েছে মাদক চোরাকারবারিদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে। তবে তাদের ওই বক্তব্য ও ঘটনার বিবরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। সমালোচনার মধ্যেও চলছে এই অভিযান।
রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১১টার দিকে পবা উপজেলার করমজা গ্রামে কথিত ওই বন্দুকযুদ্ধ হয় বলে র্যাব-৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর এসএম আশরাফুল ইসলামের ভাষ্য। নিহত বেলাল হোসেন ও নাজমুল ইসলামের বাড়ি রাজশাহীর পবা উপজেলায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের করা মাদক কারবারিদের তালিকায় তাদের দুজনেরই নাম আছে বলে দাবি করেছে র্যাব।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে র্যাব ‘বিপুল পরিমাণ’ মাদক দ্রব্য উদ্ধার করেছে। এ অভিযানে তিন র্যাব সদস্যও আহত হয়েছেন।
এছাড়া গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভাদুন এলাকায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত কামরুল ইসলাম কামুর বাড়ি টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকায়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক চোরাচালানসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ১৪টি মামলা রয়েছে বলে গাজীপুর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ডেরিক স্টিফেন কুইয়ার ভাষ্য।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. আমির হোসেন বলেন, রাত দেড়টার দিকে পুলিশের একটি দল কালীগঞ্জ উপজলার উলুখোলা এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযানে গিয়ে চার হাজার ইয়াবা ও একটি গাড়িসহ কামুকে গ্রেপ্তার করে।
