পেশাদার ক্যারিয়ারে সবমিলিয়ে ৭০০তম গোল। এতেই দলকে বাঁচাতে পারেননি লিওনেল মেসি। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সাথে ড্র করেছে, এর ফলে পিছিয়েছে চির প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের থেকে।
করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ থাকা ফুটবলের পর ফিরে এখনো হারের স্বাদ পায়নি বার্সেলোনা। কিন্তু জিতেছে মাত্র তিনটিতে। সবশেষ চার ম্যাচের মধ্যে ড্রই হয়েছে তিনটি। এতে করে লিগের ৩৩ ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার পয়েন্ট এখন ৭০, অবস্থান দ্বিতীয়। তাদের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলেই ৭১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থানে বসে আছে রিয়াল মাদ্রিদ।
মঙ্গলবার রাতে নিজেদের ঘরের মাঠে তিন পেনাল্টির ম্যাচের ফল হয়েছে ২-২ গোলে ড্র, অন্য গোলটি আবার ছিল অ্যাটলেটিকোর করা আত্মঘাতী।
শুরুতে স্বাগতিকদের কাজ সহজ করে দেন অ্যাটলেটিকো ফরোয়ার্ড ডিয়েগো কস্তা। প্রথমে বার্সা অধিনায়ক লিওনেল মেসির ফ্রি-কিক কর্নারের মাধ্যমে ফেরান কস্তা। পরে মেসির নেয়া সেই কর্নার থেকেই কস্তার পায়ে লেগে বল জড়িয়ে যায় জালে, লিড পায় বার্সেলোনা।
সেই লিড অবশ্য বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তারা। মিনিট চারেক পর সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সেই কস্তা। তবে ১৯ মিনিটের সময় পেনাল্টি থেকে ম্যাচে সমতা ফেরান সাউল নিগেজ। ডি-বক্সে কারাসকোকে আর্তুরো ভিদাল ফাউল করায় পেনাল্টি পেয়েছিল অ্যাটলেটিকো।
এই পেনাল্টির সময় হয়েছে এক নাটকীয়তা। ডিয়েগো কস্তার নেয়া স্পট কিক বাম দিকে ঝাঁপিয়ে ফিরিয়েছিলেন বার্সা গোলরক্ষক মার্ক স্টেগান কিন্তু শট করার আগেই মুভ করায় উল্টো হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। পুনরায় শট নেয়ার সুযোগ পায় অতিথিরা। তখন নিগেজের শটে সমতা ফেরে ম্যাচে।
প্রথমার্ধ শেষ হয় সমতায় থেকে। দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ৫০ মিনিটের সময় পেনাল্টি পায় বার্সা। এবার ফাউলের শিকার হন নেলসন সেমেডু, পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। সফল স্পটকিকে দলকে এগিয়ে দেন মেসি। চলতি লিগে তার এটি ২২তম গোল।
আর ক্যারিয়ারের ৭০০তম গোল। যার মধ্যে বার্সার জার্সিতেই করেছেন ৬৩০টি। মেসির ৭০০ গোলের খুশিও বেশিক্ষণ টেকেনি। ম্যাচের ৬২ মিনিটের মাথায় আবার পেনাল্টি পায় অতিথিরা।
আবারও ফাউলের শিকার হন কারাসকো, এবার তাকে ফাউল করেন সেমেডু। সহজ সুযোগ থেকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান সাউল নিগেজ। যা হয়ে থাকে ম্যাচের ফল নির্ধারণী গোলও।

