যে সব কারণে জমজ সন্তান হতে পারে



‘যমজ সন্তান’ অনেকের কাছেই কৌতূহলের বিষয়। তবে এখানে কৌতূহলের কিছু নয়। গর্ভে একের অধিক সন্তান ধারণ করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এটি বংশগত হতে পারে, আবার ঈশ্বর প্রদত্ত উপহারও বলা যেতে পারে।

যে কারণে যমজ সন্তান হতে পারে :

যমজ সন্তানের ক্ষেত্রে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর একটি ব্যাপার রয়েছে। এ ছাড়া মা বা নানি, যদি পূর্বে যমজ সন্তান জন্ম দেন। চিকিৎসার মাধ্যমে নিঃসন্তান মায়েরা যখন গর্ভধারণ করেন, তখনও যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এ ছাড়া স্বয়ং সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় এটি ঘটে থাকে। এখানে কারও হাত নেই। আলাদা কোনো চিকিৎসার বা নিজের ইচ্ছার মাধ্যমে কখনই যমজ সন্তান নেয়া সম্ভব নয়।

সাধারণত মায়ের দেহে একই সময়ে একটি মাত্র ডিম্বাণু দুটি ডিম্বাশয়ের যে কোনো একটি থেকে নির্গত হয়। তবে ওভ্যুলেশন পিরিয়ডে তার শরীরে মোট দুটি ডিম্বাণু থাকে। এ সময় মিলন হলে পুরুষের শুক্রাণু উভয় ডিম্বাণুকেই নিষিক্ত করে। একটি নিষিক্ত ডিম্বাণু প্রথমে দুটি পৃথক কোষে বিভক্ত হয়।

পরবর্তী সময় প্রতিটি কোষ থেকে একেকটি শিশুর জন্ম হয়। এখানে দুটি কোষ যেহেতু পূর্বে একটি কোষ ছিল, তাই এদের সব জিন একই হয়ে থাকে। এ কারণে এরা দেখতে অভিন্ন হয় এবং একই লিঙ্গের হয়। এভাবেই নন-আইডেন্টিক্যাল টুইন শিশুর জন্ম হয়। এসব শিশু সবসময় একই লিঙ্গের নাও হতে পারে এবং তারা দেখতে ভিন্নও হতে পারে।

যমজ সন্তান বোঝার উপায় :

শরীর যদি বেশি খারাপ লাগে ও গর্ভাবস্থায় পেটের আয়তন স্বাভাবিক তুলনায় বেড়ে যাওয়া। গর্ভের সন্তান যমজ কিনা জানতে দুই মাস পর আলট্রা সাউন্ড করে নিলেই জানা যাবে।