বহুল আলোচিত ফেনীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাতের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন মামলার অন্যতম দুই আসামী।
নুরুদ্দিন এবং শাহাদাত হোসেন শামিম গত রবিবার আদালতে দেয়া এক স্বীকারোক্তিতে ঘটনার বিস্তারিত জানান। তারা বলেন, নুসরাতের মুখ চেপে ধরে নুরুদ্দিন ও শাহদাত। এরপর জোবায়ের এবং জাবেদ তার হাত বেঁধে দেয়। তারপর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয় মনি এবং পপি নামের অন্য দুজন।
নুসরাতকে আগুন দেয়ার আগে থেকেই শাহাদাত, জোবায়ের ও জাবেদ বোরকা পরে টয়লেটে লুকিয়ে ছিল। সে সময় সিঁড়ির কাছে লুকিয়ে ছিল নুরুদ্দিন।
সিঁড়ির কাছে থাকা নুরুদ্দিনের ইশারা পেয়ে শাহাদাত দৌঁড়ে গিয়ে নুসরাতের মুখ চেপে ধরে। জোবায়ের ও জাবেদ তখন ওড়না দিয়ে রাফির হাত বাঁধে। পপি ও মণি কেরোসিন ঢেলে শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এছাড়া নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার বিষয়ে জবানবন্দিতে তারা জানান, এই ঘটনার সব জানতেন সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন। ঘটনার পর শাহাদাত হোসেন শামীম রুহুল আমিনকে ফোন করেন। তখন রুহুল আমিন তাদেরকে পালিয়ে যেতে বলে।

