কিরনজিৎ আলুওয়ালিয়া নামের এক নারী জানিয়েছেন প্রায় দশ বছর ধরে স্বামীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় তার স্বামীর শরীরে ওপর পেট্রল ঢেলে তাতে আগুন জ্বালিয়ে দেন।
এই ঘটনার প্রায় ৩০ বছর পর তিনি বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, আমি ওকে আঘাত করতে চেয়েছিলাম, যেভাবে ও আমাকে আঘাত করেছে।
আমি চেয়েছিলাম আমার কি ধরনের যন্ত্রণা হচ্ছে তা সে-ও বুঝুক। এই পরিস্থিতিতে আমি ওই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হই। আমার মাথা তখন একেবারেই কাজ করছিল না।আমি ঘুমতে পারছিলাম না। প্রচণ্ড শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা হচ্ছিলো সেই সময়ে আমার।
রাতে যখন কিরনজিতের স্বামী বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন স্বামীর পায়ের ওপর পেট্রল ঢেলে তাতে আগুন জ্বালিয়ে দেন কিরনজিৎ।
তিনি বলেন, আমার মনে হয়েছিল, তার পা দুটো পুড়ে গেলে সে আমাকে কোনোভাবেই পিছু ধাওয়া করতে পারবে না। আর তার পায়ে যদি আমি ক্ষত করে দিতে পারি, তার চিরকাল মনে থাকবে যে, স্ত্রী কীভাবে তাকে সাজা দিয়েছিল।
এই ঘটনার পর ছেলেকে নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান কিরনজিৎ।
এই ঘটনার ঠিক ১০ দিন পরেই তার স্বামী দীপক আলুওয়ালিয়া মারা যান। কিন্তু, কিরনজিৎ বলেন তিনি কখনই তার স্বামীকে খুন করতে চাননি।
সে সময় একই বছর ডিসেম্বর মাসে কিরনজিৎকে খুনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

