করোনাভাইরাস সংক্রমণের সতর্কতার অংশ হিসেবে সড়ক ও আকাশপথের পাশাপাশি প্রতিবেশি দেশ ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগও বন্ধ হয়ে গেল। রোববার (১৫ মার্চ) থেকে বন্ধ থাকবে ঢাকা-কলকাতার মধ্যে চলাচলকারী ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেস।
এক ঘোষণায় রেলওয়ে জানিয়েছে, কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে থেকে যারা অগ্রিম টিকিট কিনেছিলেন তারা টিকিট জমা দিয়ে টাকা ফেরত নিতে পারবেন। তবে যাত্রী পারাপার বন্ধ হয়ে গেলেও বন্দরগুলোতে এখনো পণ্য পরিবহন চলছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশন থেকে ভারতগামী সবশেষ মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি ছেড়ে গেছে। তবে শেষ যাত্রায় কোন বাংলাদেশি পর্যটক ভিসায় ট্রেনে আরোহন করতে পারেননি। যারা ভারত থেকে বিভিন্ন কাজে বাংলাদেশে এসেছিলেন তাদেরকে নিয়ে ট্রেনটি ছেড়েছে।
এমনকি যারা আরও কয়েকদিন পরে ভারতে যেতে চাচ্ছিলেন তাদেরকেও এই ট্রেনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে ৫৪ জন যাত্রী ছিলেন মৈত্রী ট্রেনে। একইভাবে কলকাতা থেকে সবশেষ ট্রেনটি বাংলাদেশে আসার পথে রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানান, শুধু ভিসার মাধ্যমে যাত্রী যাতায়াত বন্ধ রয়েছে। তবে স্থলবন্দরগুলোতে পণ্য পরিবহন এখনো সক্রিয় রয়েছে।
এর আগে, আকাশ পথেও একই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ভারত সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস, রিজেন্ট এয়ারওয়েজ ও নভোএয়ার দেশটিতে তাদের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে

