২০১৪ সালের ৪ আগস্ট পদ্মার বুকে স্মরণকালের ভয়াবহ লঞ্চডুবি। ঈদ পরবর্তী সময়ে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই গাদাগাদি করে তোলা হয় যাত্রী। ভরা বর্ষায় উত্তাল পদ্মায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় পিনাক-৬।
শত প্রাণের এমন ডুবে যাওয়া নতুন কিছু নয়। এমভি রাজহংসী, সালাউদ্দিন-২, এমভি নাসরিন -১ অথবা এমভি লাইটিংসান। কালের পরিক্রমায় নামগুলো হয়তো ভুলেও গেছেন অনেকে। এই তালিকায় নতুন নাম মর্নিং বার্ড।
সোমবার (২৯ জুন) সকালে, ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় বুড়িগঙ্গায় যাত্রীসহ ডুবে যায় লঞ্চটি।
হিসাব করে দেখা গেছে, দেশে ১৪ বছরে ৫৩৫টি নৌ-দুর্ঘটনা ঘটেছে। যেখানে প্রাণ হারিয়েছে ৬ হাজারেরও বেশি মানুষ। এর জন্য দোষী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শাস্তি নিশ্চিতে ব্যর্থতা, তদন্ত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন না করা, ফিটনেস বিহীন নৌ-যান চলাচল, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইসহ নানা কারণকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লঞ্চডুবির প্রায় প্রতিটি ঘটনায় তদন্ত কমিটি হলেও বাস্তবায়ন হয় না সুপারিশ। যদিও, নৌ-প্রতিমন্ত্রীর দাবি, সুপারিশ বাস্তবায়নে সচেষ্ট তারা।
দুর্ঘটনা রোধে নৌযানের নকশাগত ত্রুটি, অদক্ষ ইঞ্জিন অপারেটর, অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন ছাড়াও বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

